চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ছাড় দেওয়া হল ভারতীয় সেনাবাহিনীকে (Indian Army)। সোমবার লাদাখের ভারত-চিন সীমান্তে সংঘর্ষের ঘটনায় দেশে ৬৩ জন সেনার মৃত্যুতে অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি। চিনা সেনার অতর্কিত হামলায় কমপক্ষে প্রাণ হারিয়েছেন কুড়ি জন ভারতীয় জওয়ান। ৪৩ জন নিহত হয়েছেন চিন সেনা (Chinese Army)। এমতাবস্থা আর চুপ করে থাকতে রাজি নয় ভারতীয় সেনাবাহিনী। সূত্রের খবর, দিল্লিতে দফায় দফায় বৈঠকের পর, সেনাবাহিনীকে পরিস্থিতি বুঝে সিদ্ধান্ত গ্রহণের ছাড় দিয়েছে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সরকার (Narendra Modi Govt.)।
৪,৮০০ কিলোমিটার বিস্তৃত ভারত-চিন সীমান্তে সেনা জামায়াত শুরু হয়েছে জোরদার। দুই দেশের সেনাবাহিনী পরস্পরের সম্মুখীন। পরিস্থিতি বুঝে হিমাচল প্রদেশ, সিকিম, উত্তরাখণ্ড ও অরুণাচল সীমান্তে সেনাবাহিনীর টহল বাড়িয়েছে প্রতিরক্ষা মন্ত্রালয়। কারণ প্রসঙ্গে জানা যাচ্ছে, এই সময় যদি সেনাবাহিনীকে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ছাড় না দেওয়া হয়,তাতে মনোবল ভেঙে যেতে পারে ভারতীয় সেনার। তাই তাদের সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ দিয়েছে কেন্দ্রীয় সরকার।
৬ জুন ভারত-চিন সেনা পর্যায়ের বৈঠকের পর দু’দেশ গালওয়ান ঘাঁটি থেকে সরতে রাজি হয়েছিল। সোমবার সেই শর্ত মেনে দুপক্ষের সেনা সরানোর কাজ চলার মাঝেই অতর্কিত হামলা চালায় চীনের লাল ফৌজ।দু’দেশের সেনার মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় মৃত্যু হয় ৬৩ জনের। মঙ্গলবার রাতে রাত ১০টা নাগাদ সংবাদসংস্থা এএনআই জানিয়েছে যে সরকার স্বীকার করেছে ভারতীয় বাহিনীর অন্তত ২০ জনের মৃত্যু হয়েছে এই সংঘাতে।দিল্লির একটি সূত্র থেকে জানা যায়, চিনের ৪৩ জন এই ঘটনায় মারা গেছেন। তাৎপর্যপূর্ণ ভাবে, দু’পক্ষের মধ্যে এই যে হতাহত হয়েছেন তাতে কোনও গুলি সম্ভবত চলেনি। রড, লাঠিসোটা, পাথর ইত্যাদি দিয়েই রীতিমতো মারামারি হয়েছে। তাই এবার সব রকমের যুদ্ধে জবাব দিতে প্রস্তুতি নিয়েছে ভারত।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news