সূর্য সরকার । শিক্ষা দপ্তর যেন দুর্নীতির “ঘুঘুর বাসা”! বিতর্ক সেই বাম আমল থেকেই। তৃণমূল আমলে সেই বির্তক আরও জোরালো হয়েছে। প্রাথমিক কিংবা মাধ্যমিক – উচ্চমাধ্যমিক স্কুলে শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াতে উঠেছে বেনিয়ম, টাকা খাওয়ার মতো অভিযোগ। আবেদনকারীরা আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন, আটকে গিয়েছে নিয়োগ প্রক্রিয়া। সেই অভিজ্ঞতা থেকে শিক্ষা নিয়ে এবার স্কুল শিক্ষক নিয়োগ প্রক্রিয়াতে বড়ো ধরণের সরলীকরণের সিদ্ধান্ত নিতে চলেছে স্কুল শিক্ষা দফতর। আসতে চলেছে ই-ভেকেন্সি। প্রক্রিয়া-অনলাইনয়ের মাধ্যমে স্কুল শিক্ষা দফতরকে জানাতে হবে, ঠিক কত শিক্ষক প্রয়োজন। উঠে যাবে ডিআই এবং এসআই প্রক্রিয়া। অর্থাৎ প্রাথমিক শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে এসআইয়ের যে অনুমোদনের অপেক্ষা করতে হয় এবং মাধ্যমিক – উচ্চমাধ্যমিকয়ের ক্ষেত্রে ডিএইয়ের যে ভূমিকা থাকে। সেই নিয়ম তুলে দেওয়া হবে বলেই শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর। গত কয়েক বছর ধরে দফতরের বিরুদ্ধে অভিযোগ ছিল, অনেক সময় মোটা অর্থের বিনিময়ে এই স্কুলে নিয়োগয়ের অনুমতি বা ট্রান্সফার সংক্রান্ত কাজ করে থাকেন ডিআই- এসআইরা। এই সিদ্ধান্ত বদল করা হচ্ছে বলে শিক্ষা দপ্তর সূত্রে খবর। মুখের দুর্নীতি রোধের কথা বললেও গত ৮ বছরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকার শিক্ষা দপ্তরের ক্ষেত্রে তা রোধ করতে পারেনি।
পাশাপাশি, থাকবে না কোনও ওয়েটিং লিস্ট। প্রকাশিত হবে মেধা তালিকা অর্থাৎ যারা পাশ করবে অনলাইনে সেটা জানিয়ে দেওয়া হবে। যদিও পুরো বিষয় এখন প্রস্তাবনার স্তরে আছে বলেই শিক্ষা দফতর সূত্রের খবর। ড্রাফট বানানোর কাজ সম্পূর্ণ এবং তা এখন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের টেবিলে। তিনি সিলমোহর দিলেই লাগু হবে এই নয়া নিয়ম। শিক্ষামন্ত্রী পার্থ চ্যাটার্জী বলেন, ” বর্তমান নিয়মে শিক্ষক নিয়োগের ক্ষেত্রে সামগ্রিকভাবে পুরোটা সম্পূর্ণ হবে প্রায় ২ বছরেও বেশি সময় লেগে যায়। এই দীর্ঘসূত্রতা কাটাতেই সরলীকরণের সিদ্ধান্ত । মুখ্যমন্ত্রী অনুমোদন দিলেই কার্যকর হবে।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news