চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
বিশাখাপত্তনমের (VIGAZ) গ্রামে লিক বিষাক্ত গ্যাসের ছড়িয়ে পড়া রুখে দেওয়া গেছে। বৃহস্পতিবার দুপুরে এমনটাই জানালেন অন্ধ্রপ্রদেশ পুলিশের ডিরেক্টর জেনারেল দামোদর গৌতম সাওয়াং। তিনি বলেছেন, “ছড়িয়ে পড়া গ্যাসের আক্রমণ থামেনো গেছে। আপাতত আর কোনও বিপদ নেই ওই কারখানা থেকে বা গ্যাস থেকে। যে ক্ষতি হয়েছে তা থেকে বাঁচার একটি উপায় হল, প্রচুর পরিমাণে জল খেতে হবে। যে কয়েকশো মানুষকে ভর্তি করা হয়েছিল আক্রান্ত অবস্থায় তাঁদের মধ্যে অনেককে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে। কীভাবে দুর্ঘটনা ঘটল, সেটা তদন্ত করে দেখা হবে।”
দুর্ঘটনার কিছু পরে বিবৃতি দিয়েছে এলজি পলিমার ইন্ডিয়া প্রাইভেট লিমিটেড নামে ওই কারখানাটির মূল সংস্থা দক্ষিণ কোরিয়ার এলজি কেম। বিবৃতিতে তারা জানিয়েছে, লকডাউনের (Lockdown) জেরে কারখানা বন্ধ ছিল। তবে রক্ষণাবেক্ষণের জন্য কর্মীরা ছিলেন। তার পরেও কী কারণে এমন দুর্ঘটনা ঘটল, তা নিয়ে তদন্ত শুরু করেছে তারা। কারখানা থেকে বিষাক্ত স্টাইরিন গ্যাস লিক। এদিন ভাইজ্যাগের গোপালপতনমের ওই দুর্ঘটনার হাত ধরে ফিরে এসেছে ভোপাল গ্যাস দুর্ঘটনার স্মৃতি। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১০ জনের মৃত্যু হয়েছে। ১০০০ মানুষ অসুস্থ, আর মধ্যে বেশকিছু রয়েছেন ভেন্টিলেশনে।
ঘটনা প্রসঙ্গে বিশাখাপত্তনমের অ্যাসিস্ট্যান্ট পুলিশ কমিশনার স্বরূপা রানি বলেছেন, “এই গ্যাস লিক করার কারণ হল লকডাউনের মধ্যে বহুদিন গ্যাসের ট্যাঙ্কগুলিকে পর্যবেক্ষণ না করা।” তিনি আরও বলেন, “লকডাউন হওয়ায় গ্যাস ট্যাঙ্কের মধ্যেই থেকে গিয়েছিল। বহুদিন ধরে কারখানা বন্ধ থাকায় ট্যাঙ্কের দেখভাল হয়নি। ট্যাঙ্কের মধ্যে রাসায়নিক বিক্রিয়া করে এই গ্যাস লিক করেছে।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news