নিজস্ব সংবাদদাতা:
শেষ পর্যন্ত ‘পুলিশ’ তাড়িয়ে মুকুলের সভা হল দুর্গাপুরে। এদিন দুর্গাপুর বিডিও অফিসের মাঠের সভা ঘিরেও সেই ‘অনুমতি’ মেলা-না মেলা নিয়ে গোলমাল গণ্ডগোল। তবে পর পর মুকুলের সভায় পুলিশি বাধায় এবার ক্ষিপ্ত হয়ে উঠল বিজেপি কর্মীরা। ফলে দুর্গাপুরে বাঁধল ধুন্ধুমার। একদিকে যেমন সিভিক পুলিশ চড়াও হল বিজেপি কর্মীদের উপরে, তেমনি সেই ‘পুলিশ’কে লাঠি উচিয়ে তাড়াল দলীয় সমর্থকেরা। এরপর ট্রলারের অস্থায়ী মঞ্চে সভা করেন মুকুল রায়, দিলীপ ঘোষরা।
উল্লেখ্য, গতকালই মুকুলের সভা ভেস্তে দেওয়ার হুমকি দিয়েছিল শাসক দলের স্থানীয় কাউন্সিলর। পাশাপাশি বিদগ্ধ রাজনীতিবিদ হিসেবে পরিচিত মুকুল রায় আইনটি বুঝিয়ে দেন। তিনি বলেন, যে জমিতে সভা হবে তিনি যদি আপত্তি না করেন তাহলে সভা আটকাতে পারেন না এসডিও। কিন্তু আজ দেখা গেল ফের মুকুলের সভা আটকাতে যথারীতি তৎপর প্রশাসন। কারণ, যে মাঠে আজকের সভা ছিল তার দুই মালিকের একজন নাকি পুলিশের কাছে আপত্তি জানিয়েছেন। যদিও গতকাল অবধি সেই আপত্তি ছিল না। রাতারাতি মত বদল কেন সে অন্য প্রশ্ন। কিন্তু আজ সিভিক পুলিশ সভা আটকানোর চেষ্টা করলে রুখে দাঁড়ান বিজেপির কর্মী সমর্থকেরাও। সে কারণেই সভা হয় অবশেষে।
মুকুল রায় বলেন, ‘সিভিক ভলেন্টিয়াররা বিজেপি কর্মীদের সভাস্থলে আসতে বাধা দেন। এরপর বিজেপি কর্মীদের সিভিক ভলেন্টিয়ারের ইউনিফর্ম পরা কয়েকজন যুবক মারধর করে। এমকি ওই সিভিক ভলেন্টিয়াররা মাইক খুলে নেন। এরপরেই বিজেপি কর্মীরা প্রতিবাদ শুরু করেন।’ পুলিশ বিজেপি কর্মীদের উপর লাঠি চালিয়ে প্রতিবাদ স্তব্ধ করার চেষ্টা করে বলে জানান মুকুল রায়। তিনি আরও বলেন, ‘সিভিক পুলিশের জামা পরে তৃণমূলীরাই হামলা চালিয়েছিল। এইভাবে হামলা চালিয়ে গনতন্ত্র রক্ষার লড়াই আটকানো যাবে না। মমতা বন্দ্যোপাধ্যেয়ের সময় হয়ে এসেছে। তাই পুলিশকে লেলিয়ে রাজ্যের সর্বত্র মমতা গনতন্ত্র হরণে নেমেছেন।’
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news