চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো :
ভারত-চীন সীমান্ত উত্তপ্ত হয়ে ওঠার পর থেকেই একে একে সমস্ত চিনা দ্রব্য বয়কট করছে দেশবাসী। আর এবার তার ছায়া দেখা গেল দীপাবলিতে। এবারের দীপাবলিতে চিনা আতসবাজি ও লাইট বয়কট করল ভারত। এই বয়কট এর ফলে চীনে প্রায় ৪০ হাজার কোটি টাকার লোকসান হবে। কনফেডারেশন অফ অল ইন্ডিয়া ট্রেডার্সের ন্যাশনাল প্রেসিডেন্ট বি.সি ভারতীয়া এবং সেক্রেটারি জেনারেল পারভীন খান্দেলওয়াল জানান প্রত্যেক বছর দীপাবলীর সময় প্রায় ৭০ কোটি টাকার ব্যবসা করে।
২০ জন ভারতীয় সেনাকে নৃশংসভাবে হত্যা করার পর ভারত চীন সম্পর্ক যেভাবে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঠিক সেই সময় থেকেই দেশবাসীর মনে চীনের বিরুদ্ধে ক্ষোভ জমতে শুরু করে এবং চিনা দ্রব্য বয়কটের ডাক ওঠে। প্রসঙ্গত চীনের জনগণ চীনের উৎপাদিত দ্রব্য গুলি সরকারি বিধি নিষেধের কারণেই ব্যবহার করেন না।
বাণিজ্যিক খাতেও পর্যাপ্ত পরিমাণ দ্রব্য উৎপন্ন করা হয়। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো মোবাইল, ইলেকট্রনিক যন্ত্রপাতি, ইলেকট্রিক্যাল দ্রব্য, খেলনা, ঘর সাজানোর জিনিস, উপহার, ঘড়ি, জুতো, প্রসাধন দ্রব্য, দিওয়ালি উপলক্ষে ঘর সাজানোর জিনিসপত্র ও নানান ধরনের লাইট এই ধরনের দ্রব্য গুলি । আর এইসব জিনিসপত্রগুলোই বেশি করে বিক্রি হয়।
এরই মাঝে উপভোক্তা দপ্তর অ্যামাজন ফ্লিপকার্ট কে নোটিশ দিয়েছে,১৫ দিনের মধ্যে উত্তর দেওয়ার জন্য। যতদূর জানা যাচ্ছে উপভোক্তা দপ্তর অ্যামাজন-ও ফ্লিপকার্ট এর কাছ থেকে জানতে চায় যে কেন তারা কোন জিনিস বিক্রির সময় সেই দ্রব্য যে দেশে উৎপন্ন হয়েছে সেই দেশের নাম এবং ইত্যাদি আরও নানান গুরুত্বপূর্ণ তথ্য ক্রেতাদের আকৃষ্ট করার জন্য কেন তারা ব্যবহার করছেন।
নির্ধারিত সময়সীমার মধ্যে যদি এই দুই সংস্থা যথাযথ উত্তর না দিতে পারে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রসঙ্গত এই বছরের গোড়া থেকেই অনলাইন মাধ্যমে কেনা যাবতীয় জিনিস পত্রের একটি তালিকা প্রস্তুত করতে শুরু করে সরকার। তালিকাভুক্ত পণ্যগুলির উৎস স্থল যে দেশ তা খুঁজে বার করে সেই সমস্ত পণ্যগুলোকে নিজের দেশে তৈরি করার প্রস্তুতি নিতে শুরু করে ভারত সরকার।
আর এইসবের মাঝেই চীনের সঙ্গে ভারতের সশস্ত্র সংঘর্ষ চীনা দ্রব্য আমদানি করা এবং চীনা পণ্য বয়কট করার জন্য দাবি তোলা হয়।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news