চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো :
ভারতে কোভিড ভ্যাকসিন আসতে এক বছর সময় লাগবে। শনিবার চেন্নাইয়ে সাংবাদিক বৈঠকে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) প্রধান গবেষক বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার প্রধান গবেষক ডঃ সৌম্যা স্বামীনাথন (Soumya Swaminathan)। তিনি বলছেন, “এই মুহূর্তে ভারত করোনার ভ্যাকসিন তৈরির একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে আছে। কোনও ভ্যাকসিন চূড়ান্ত হতে আরও অন্তত এক বছর সময় লাগবে।” তিনি আরও বলছেন, “ভারতের কোনও ভ্যাকসিন এখনও নিজেদের সাফল্যের তথ্য বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার কাছে তুলে ধরতে পারেনি। একমাত্র ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালের সাফল্যের নথি পাওয়ার পরই হু ভ্যাকসিনের লাইসেন্সিংয়ের কথা ভাবতে পারে।” তাঁর কথায়, এই পুরো প্রক্রিয়াটা শেষ করতে আরও এক থেকে দেড় বছর সময় লাগবে।
প্রসঙ্গত, শনিবার দেশের ৭৪তম স্বাধীনতা দিবসে (Independence Day) লালকেল্লা থেকে জাতির উদ্দেশ্যে ভাষণে কোভিড ভ্যাকসিন প্রসঙ্গে আশার বাণী শুনিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi)। এদিন তিনি বলেছেন, “দেশের মানুষের একটা বড় প্রশ্ন ভারতে ভ্যাকসিন কবে পাওয়া যাবে। আমি সবাইকে বলতে চাই ভারতের বৈজ্ঞানীকরা রাত-দিন এক করে ভ্যাকসিন তৈরি করার চেষ্টা করছেন। ভারতে এই মুহূর্তে তিনটে ভ্যাকসিনের ট্রায়াল চলছে। এই তিনটি ট্রায়াল আলাদা আলাদা পর্যায়ে রয়েছে। একবার সবুজ সঙ্কেত পেলেই তার গণ উৎপাদন শুরু হবে। কম দামে ও কীভাবে দেশের সবার মধ্যে এই ভ্যাকসিন ছড়িয়ে দেওয়া হবে তার রূপরেখাও তৈরি আছে।” প্রধানমন্ত্রী আরও বলেছেন, ”দেশে এই মুহূর্তে তিনটি ভ্যাকসিন টেস্টিংয়ের আলাদা আলাদা পর্যায়ে আছে। বিজ্ঞানীদের সবুজ সংকেত পেলেই বিপুল হারে উৎপাদন শুরু হয়ে যাবে। দেশের প্রত্যেক নাগরিকের কাছে ন্যূনতম সময়ের মধ্যে ভ্যাকসিন পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনাও প্রস্তুত করে ফেলেছে সরকার।”
প্রসঙ্গত, ইতিমধ্যেই সম্পূর্ণ দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি ভারত বায়োটেকের কোভ্যাক্সিনের প্রথম পর্যায়ের ট্রায়াল প্রায় শেষ হয়ে এসেছে। অক্সফোর্ড এবং জাইদাস ক্যাডিলার ভ্যাকসিনও শীঘ্রই হিউম্যান ট্রায়াল শুরু করবে। ডঃ স্বামীনাথন বলছেন, শুধু এই তিনটি নয়, ভারতের মোট আটটি সংস্থা এখন ভ্যাকসিন তৈরি চেষ্টা চালাচ্ছে। হু-র গবেষক যাই বলুন না কেন, দেশের মানুষ কিন্তু, প্রধানমন্ত্রীর আশ্বাসেই ভরসা রেখে কোভিদ ভ্যাকসিন আসার অপেক্ষায়।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news