চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
সাধারণ মানুষের অসাবধানতার কারণেই নভেল করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমণ বৃদ্ধি পাচ্ছে পশ্চিমবঙ্গে। আনলক-২-তে (Unlock Phase-2) বেপরোয়া ভাবে করোনা সতর্কতায় উপেক্ষা করায় এমনটা হয়েছে বলেই মত প্রকাশ করলেন চিকিৎসক অমিতাভ সাহা। করোনা ভাইরাস সংক্রমণ ও মৃত্যু সংক্রান্ত এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেছেন, “মৃত্যুর হার সেভাবে বাড়ছে না। তবে সংক্রমণ বেড়েছে। এক্ষেত্রে দায়ি সাধারণ মানুষকেই। কারণ আনলক-২-তে বেশিরভাগ মানুষ অসতর্ক হয়ে রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছেন।” চিকিৎসকসহ আরও বলেন, “অনেকেই মাস্ক ব্যবহার করছেন না। ফলতো সংক্রমণ হওয়ার হার অনেকটাই বেড়েছে। তাই নিজে থেকে সতর্ক ও সচেতন না হলে করোনার সাথে মোকাবিলা করা যাবে না।”
তিনি বলেছেন, “এই সময় প্রতি বছর সিজন চেঞ্জের জ্বর দেখা যায় এবং সেইস ঙ্গে থাকে ডেঙ্গু ,ম্যালেরিয়া মত রোগের আগমন। সাধারণ জ্বর হলে অনেকে মনে করছেন করোনার উপসর্গ।” ডাঃ অমিতাভ সাহার (Dr. Amitabh Saha) কথায়, “করোনা ভাইরাসের যে সমস্ত উপসর্গ রয়েছে যেমন বমি, অত্যধিক জ্বর বা শুকনো কাশি, এইরকম কোনও উপসর্গ যদি থাকে তাহলে সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নেওয়া উচিত। করোনা টেস্টও করা প্রয়োজন।” তিনি জানিয়েছেন, যে সমস্ত করোনা রোগীরা সুস্থ হয়ে উঠছেন তাদের শরীরে অ্যান্টিবডি তৈরি হচ্ছে অর্থাৎ তাদের শরীর থেকে প্লাজমা নিয়ে আক্রান্ত রোগীর শরীরে দিলে সে ক্ষেত্রে অনেকটাই তারা সুস্থ হয়ে উঠবেন। কারণ যিনি করোনা থেকে সুস্থ হয়ে উঠেছেন তাঁর শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অনেকটাই বেড়ে যাচ্ছে। যদিও বা এই প্লাজমা দেওয়ার বিষয়টি এখনও পর্যন্ত আইনি বা ডাক্তারি পরিভাষায় সঠিক বলে গণ্য হয়নি। তবুও চিকিৎসকরা এই বিষয়টি প্রয়োগ করছেন বলে জানান এই চিকিৎসক।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news