চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
শচীন পাইলট সহ তাঁর অনুগামী বিধায়কদের সদস্যপদ খারিজ করতে উদ্যোগী হল কংগ্রেসের নেতৃত্ব। এআইসিসি থেকে সবুজ সংকেত পেয়েই রাজস্থান কংগ্রেস এ ব্যাপারে পদক্ষেপ নিয়েছে। বুধবার রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী শচীন পাইলট ও তাঁর অনুগামীদের দলবিরোধী কাজের অভিযোগে বিধানসভার স্পিকার সিপি যোশী (CP Joshi) তাঁদের নোটিস ধরিয়েছেন। আগামী শুক্রবারের মধ্যে তাঁদের জবাব দিতে হবে বলা হয়েছে। মঙ্গলবার শচীন পাইলটকে উপমুখ্যমন্ত্রী সহ প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে অপসারিত করা হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোটের (Ashok Gehelot) সঙ্গে তাঁর সম্পর্কের অবনতির কারণেই এমন সিদ্ধান্ত নিতে বাধ্য হয়েছে এআইসিসি।
রাজস্থান প্রদেশ কংগ্রেসের (Congress) প্রবীণ নেতা তথা বিধানসভার স্পিকার সিপি যোশী চিঠি দিয়ে শচীন পাইলট ও তাঁর অনুগামীদের জানিয়েছেন, তাঁরা দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করেছেন। দলের দু’টি বৈঠকে উপস্থিত হননি। এরপরে দলবিরোধী কাজের অভিযোগে তাঁদের বিধায়ক পদ করা হবে না কেন? তাঁরা যদি জবাব দিতে না পারেন, তাঁদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে। রাজস্থানের রাজনৈতিক মহলের দাবি, এখনও ম্যাজিক ফিগারের কাছাকাছি পৌঁছতে পারেননি মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলোট। তিনি চাইছেন, শচীন পাইলট শিবিরে থাকা কুড়ি জন বিধায়কের সদস্যপদ খারিজ করিয়ে দিতে। যার ফলে রাজস্থান বিধানসভা ম্যাজিক ফিগার অনেকটাই কমে আসবে। তাহলে আগামী সাড়ে তিন বছরের জন্য নিরাপদে সরকার পরিচালনা করতে পারবেন তিনি।
স্পিকারের চিঠি পাওয়ার পর রাজস্থানের প্রাক্তন উপমুখ্যমন্ত্রী কি উত্তর দেন সেদিকে তাকিয়ে রাজনৈতিক মহল। কারণ, কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্ব যেভাবে অশোক গেহলোটের পক্ষ নিয়ে তাঁকে দল থেকে ছেঁটে ফেলেছে, তা কোনওভাবেই মেনে নিতে পারছে না শচীন পাইলট (Sachin Pilot)। তাই স্পিকারের চিঠি পাওয়ার পর তিনি আইনি শলাপরামর্শ করছেন বলে জানা গিয়েছে। শচীন পাইলট শিবিরে এখনও নিস্তব্ধতা, যেন ঝড়ের আগের পূর্বাভাস বলেই মনে করছে জাতীয় রাজনৈতিক মহলের কারবারিরা। কারণ গোটা পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে চলছে বিজেপির (BJP) ক্রাইসিস ম্যানেজাররা।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news