Breaking News
Home / TRENDING / রাজস্থান সঙ্কটের মধ্যেই ঝাড়খন্ডে কংগ্রেস বিধায়কদের বিদ্রোহ, দুশ্চিন্তায় এআইসিসি

রাজস্থান সঙ্কটের মধ্যেই ঝাড়খন্ডে কংগ্রেস বিধায়কদের বিদ্রোহ, দুশ্চিন্তায় এআইসিসি

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

রাজস্থান নিয়ে সমস্যা এখনও কাটেনি, আর তার মধ্যেই নতুন জোট তৈরি হয়েছে ঝাড়খন্ডে (Jharkhand)। যা নিয়ে ঘর দুশ্চিন্তায় পড়েছে সর্বভারতীয় কংগ্রেস নেতৃত্ব। কংগ্রেসের রাজ্য সভাপতি রামেশ্বর ওরাংয়ের ভুমিকায় অসন্তুষ্ট বিধায়করা দলের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করার ঘোষণা করে দিয়েছে। মধ্যে তারা দিল্লি গিয়ে আহমেদ প্যাটেলের সঙ্গে দেখা করে তাদের ক্ষোভের কথা জানিয়েছেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি নয়, ঝাড়খন্ড সরকারের শরিক দলের মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেনের কাজকর্মেও যে তারা খুশি নয় তাও স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছে এআইসিসিকে। সূত্রের খবর, কোন প্রতিক্রিয়া না জানালেও পরিস্থিতির ওপর নজর রেখে চলেছে বিজেপি। মধ্যপ্রদেশ ও রাজস্থানের পর কংগ্রেস নেতৃত্বে কোনওরকম টালমাটাল পরিস্থিতি দেখা দিলে, সেখানেও ‘অপারেশন লোটাস’ মঞ্চস্থ হতে পারে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।

মোট ৮১ আসনের ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় শাসক শিবির পায় ৪৭টি আসন। এর মধ্যে জেএমএম (JMM) একাই পায় ৩০ আসন। কংগ্রেস (Congress) পায় ১৬টি আসন এবং আরজেডি পায় একটি আসন। বিজেপির দখলে যায় ২৫টি আসন। পরে অন্য দল থেকে ২ জন বিধায়ক যোগ দিয়েছেন কংগ্রেস শিবিরে। ফলে শক্তপোক্ত সরকার নিয়েই পথচলা শুরু করে জেএমএম – কংগ্রেস জোট। কিন্তু, মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন ও ঝাড়খন্ড প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির কাজে বিরক্ত। এক্ষেত্রে উঠে আসছে সভাপতি বিরোধী গোষ্ঠির জোরালো দ্বন্দ্ব।

বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়কদের নেতৃত্বে রয়েছেন জামতাড়া কেন্দ্রের বিধায়ক তথা প্রভাবশালী কংগ্রেস নেতা ইরফান আনসারি। এই শিবিরে রয়েছেন উমাশঙ্কর আকেকা, রাজেশ কাশ্যপের মতো বর্ষীয়ান নেতারাও। এদের অসন্তোষের মূল কারণ, মন্ত্রিত্ব। রাজ্যের প্রভাবশালী নেতা হওয়া সত্বেও ইরফান আনসারি মন্ত্রিত্ব পাননি। আবার রামেশ্বর ওরাং প্রদেশ সভাপতি হওয়া সত্বেও মন্ত্রীপদে বসে আছেন। প্রশাসন ও সরকারে একযোগে ছড়ি ঘোরাচ্ছেন রামেশ্বর ওরাং। এই ইস্যুতে তীব্র সংঘাত হচ্ছে ঝাড়খন্ড প্রদেশ কংগ্রেসের। মুখ্যমন্ত্রী হেমন্তের কাজকর্ম নিয়েও তাদের মনে প্রশ্ন রয়েছে। সূত্রের খবর, আহমেদ প্যাটেল কে বিদ্রোহী কংগ্রেস বিধায়ক রাজা হয়েছেন, কোন সুদূর প্রসারী কাজটা করে কেবলমাত্র চটকদারি চালের উপর ভরসা করতে শুরু করেছেন মুখ্যমন্ত্রী হেমন্ত সোরেন। তাই এভাবে চলতে থাকলে সরকার অচিরেই জনসমর্থন হারাবে। যার সবচেয়ে খারাপ ফল ভুগতে হবে কংগ্রেসকে।

রাজনৈতিক মহলের মতে, কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বের ব্যর্থতা একের পর এক রাজ্যে ক্ষমতায় থেকেও বিদ্রোহের সম্মুখীন হতে হচ্ছে। মধ্যপ্রদেশের জ্যোতিরাদিত্য সিন্ধিয়া বিদ্রোহের জেরে ক্ষমতাচ্যুত হয়েছে হয়েছে মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথকে। শচীন পাইলটের রাজস্থানের টালমাটাল অবস্থা। এই সংকটের মাঝে নতুন করে ঝাড়খন্ড কংগ্রেসের অভ্যন্তরীণ দ্বন্দ্ব দুশ্চিন্তায় ফেলেছে এআইসিসি-কে (AICC)। এখন দেখার এই যে সেখানে সোনিয়া গাঁধী ও রাহুল গাঁধী কি পদক্ষেপ নেন?

Spread the love

Check Also

আজও কলকাতায় বৃষ্টির সম্ভাবনা, বৃষ্টি হবে জেলাতেও

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো : আজও দক্ষিণবঙ্গের (South Bengal) কিছু জেলায় ভারী বৃষ্টিপাত হবে বলে জানাল …

পর্যবেক্ষকের পদ তুলে দিয়ে শুভেন্দুর হাতে পেনসিল, দল কার্যতঃ পিকে-ভাইপোর হাতে

অমিত রায় : জেলা পর্যবেক্ষকের পদ তুলে দিয়েছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। দলের …

কাশ্মীরে জঙ্গিদের গুলিতে মৃত্যু হল বিজেপি নেতার

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো: ৪৮ ঘন্টার ব্যবধানে জম্মু-কাশ্মীরে জঙ্গিদের গুলিতে আক্রান্ত হলেন দুই বিজেপি নেতা। বৃহস্পতিবার …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!