চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
২৪ তারিখ লকডাউন (Lockdown) ঘোষণা হওয়ার পরও দিল্লির মারকাজ মসজিদে ছিলেন অজস্র দেশিবিদেশি অতিথি। ধর্মীয় অনুষ্ঠান উপলক্ষে এখানে জমায়েত হয়েছিলেন তাঁরা। এরই মধ্যে করোনা সংক্রমণে সাতজন মারা গিয়েছেন। মঙ্গলবার আরও ৩৫ জনের রিপোর্ট পজিটিভ এসেছে। এঁরা কার সংস্পর্শে এসেছিলেন তাই নিয়ে এখন হিমশিম খেয়ে যাচ্ছে কেন্দ্র এবং রাজ্য প্রশাসন। কিন্তু আতঙ্কের সঙ্গে পাল্লা দিয়ে বাড়ছে বিভ্রান্তিও। বিভিন্ন জায়গায় মার্কোজ নিজামুদ্দিন এবং নিজামুদ্দিনের সমাধিকে এক করে দেখা হচ্ছে। কিন্তু আসলে এই দুটি জায়গা আলাদা। মার্কোজ নিজামুদ্দিন এবং নিজামুদ্দিনের দরগা এক নয়। মার্কাজের বয়স খুব বেশি নয়। তার যাত্রা শুরু ১৯২৬ সালে। নিজামুদ্দিনের (Nizamuddin) সমাধি কিন্তু শতাধিক বছরের পুরনো। নিজামুদ্দিনে সংক্রমণ ছড়ানোর কথা উঠতে শুরু করলেই দরগার পক্ষ থেকে জানিয়ে দেওয়া রোগীরা নিজামুদ্দিন মারকাজে ছিল দরগায় নয়।
কেন্দ্র লকডাউন ঘোষণা করে দেওয়ার পর থেকেই নিজামুদ্দিন দরগাও বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। কংগ্রেস নেতা সলমন নিজামি টুইট করে বলেন, নিডামুদ্দিন মসজিদে যাঁরা ছিল তাঁরা গরীব এবং অসহায় মুসলিম। হঠাৎ লকডাউন ঘোষণা করায় যাঁদের যাওয়ার কোনও জায়গা ছিল না। এঁদেরকে নিতে এয়ার ইন্ডিয়ার কোনও প্লেনও আসেনি। এঁরা যাবে কোথায়। তিনি আরও বলেন কেজরীবালের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা উচিত অপদার্থতার জন্য। হাজার হাজার মানুষ পায়ে হেঁটে দিল্লি ছাড়তে চেয়েছে এঁদের যাওয়ার কোনও জায়গা নেই বলে, এত মানুষ মসজিদে আটকে গিয়েছেন। এঁদের বের করার কোনও ব্যবস্থাই করতে পারেনি দিল্লির অপদার্থ সরকার।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news