চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
চিনের বিরুদ্ধে ক্রমশই সুর চড়াচ্ছে আমেরিকা (USA)। এবার সরাসরি চীনের কমিউনিস্ট পার্টিকে আক্রমন করে বসল ওয়াশিংটন। লাদাখ সীমান্তে ভারতের বিরুদ্ধে চিনের পিপলস লিবারেশন (People Liberation Army) আর্মি যে আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে তা আসলে চিনা কমিউনিস্ট পার্টির আসল রূপ বলে করলেন রাষ্ট্রপতি ডোনাল্ড ট্রাম্পের (Donald Trump) প্রেস সচিব কাইলিয়েঘ ম্যাকএনানি। তিনি বলেছেন, “ওখানে যা ঘটে চলেছে সে ব্যাপারে মার্কিন প্রেসিডেন্ট যা করার করছেন। চিনা সেনারা ওখানে যে আগ্রাসী মনোভাব দেখাচ্ছে তা হচ্ছে বিশ্বব্যাপী তাদের আগ্রাসনের একটি অংশ মাত্র। এটাই চিনা কমিউনিস্ট পার্টির আসল রূপ।”
গত ১৫ জুন সংঘাত হয় চিন-ভারত সীমান্তে। তাতে ভারতের ২০ জন সেনা জওয়ান হয়েছেন। তারপর থেকে উত্তপ্ত রয়েছে সীমান্তের পরিস্থিতি। তিন দফায় সেনাপাতি পর্যায়ে বৈঠক হলেও কোনো রকম সূত্র মেলেনি। বরং দু’দেশই সীমান্তে যুদ্ধের সব রকম পরিস্থিতি রাখছে। সার্বিকভাবে এই পরিস্থিতির ওপর যে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের নজর রয়েছে এ দিন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের প্রেসসচিব তা বুঝিয়ে দিয়েছেন। প্রয়োজনে যে তারা এ বিষয়ে হস্তক্ষেপ করবেন তারও ইঙ্গিত দিয়েছেন কাইলিয়েঘ ম্যাকএনানি। ইতিমধ্যে ভারত চীন সীমান্ত সংঘর্ষ নিয়ে রাষ্ট্রপতি ট্রাম্পের সঙ্গে ফোনে কথা হয়েছে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর (Narendra Modi)।
প্রসঙ্গত, সম্প্রতি ভারতীয় সেনাবাহিনীর ওপর পিপলস লিবারেশন আর্মির অতর্কিত হামলা ও হত্যার প্রতিবাদে মার্কিন সেনেটে চিনের সমালোচনায় সরব হয়েছিলেন সেনেটর মেজরিটি লিডার মিচ ম্যাককোনেল। তিনি বলেছিলেন, “১৯৬২ সালের পর ভারত ও চিনের মধ্যে সবথেকে বড় সংঘর্ষের প্রধান কারণ হল জমি। ভারতের এলাকা দখলের জন্যই নিজেরা এগিয়ে এসে সংঘর্ষ করেছে চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি।” তিনি আরও বলেন, “আমেরিকা ও তার সহযোগী দেশগুলির সামনে এই মুহূর্তে সবথেকে বড় শত্রুর নাম হল চিন। তারা চাইছে ধীরে ধীরে এভাবেই আগ্রাসন নীতি নিয়ে নিজেদের দেশের সীমানা বিস্তার করতে।” তারপরেই চিনা কমিউনিস্ট পার্টির আচরণকে দুর্বৃত্তদের কার্যকলাপের সঙ্গে তুলনা করেছিলেন মার্কিন বিদেশ সচিব মাইক পম্পিও (Mike Pompeo)।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news