চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
হালিশহরে খুন হলেন রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সদস্য তথা বিজেপি (BJP) কর্মী। শনিবার সন্ধ্যায় উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চলের হালিশহরে খুন হন বিজেপির সৈকত ভাওয়াল। তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হাতে তাঁদের কর্মী খুন হয়েছেন বলে অভিযোগ করে বিজেপি। যে এলাকায় খুনের ঘটনাটি সংগঠিত হয়েছে, তা বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি মুকুল রায়ের (Mukul Roy) বাড়ির কাছেই। ঘটনার খবর পাওয়া মাত্রই ক্ষোভে ফেটে পড়েন মুকুল। নিজের সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি লেখেন, “আজ কথা তে মনের ভাব ব্যক্ত করার ভাষা আমার নেই। রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের সৈকত ভাওয়ালকে নৃশংস ভাবে হত্যা করা হলো আজ। তিনি হালিশহরের ৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ছিলেন। স্থানীয় বিধায়ক শুভ্রাংশু রায় জানতে পেরে হাসপাতালে ছুটে যান। আর কতদিন আমরা পশ্চিমবঙ্গে এই রক্তপিপাসু সরকারকে সহ্য করবো? আর কত প্রাণ নেবে তৃণমূল কংগ্রেস? আপনারা বিচার করুন। সঙ্গবধ্য হন, এটা মানুষের বাঁচার লড়াই। আমরা কোনো রাজ্যে নয়, নৈরাজ্যে বাস করছি।”
This time I would just let the visuals communicate the horror that TMC has unleashed. Saikat Bhawal, an ardent RSS karyakarta and resident of 6no. ward Halisahar, was killed today. Local MLA Subhranshu Roy rushed to the hospital.
Democracy is dead in West Bengal. #AarNoiAnnay pic.twitter.com/TwtHdMJVBK— Mukul Roy (@MukulR_Official) December 12, 2020
কর্মী খুনের ঘটনা জানতে পেরে হাসপাতালে আসেন মুকুল রায়ের বিধায়ক পুত্র শুভ্রাংশু রায়। কর্মীর নৃশংস খুনের ঘটনা প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “আমি খুনের রাজনীতি বিশ্বাস করি না। একটা খুনের বদলে আরেকটা খুন মানে হচ্ছে একজন মায়ের কোল খালি হওয়া। আমি সে কথা বলতে পারি না। কিন্তু, এটুকু বলতে পারি, এবার বদলা হবেই।” প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার ডায়মন্ড হারবারে জেপি নাডডার সফরে তৃণমূল আশ্রিত দুষ্কৃতীদের হামলার ঘটনা এখনও রাজ্য রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক। সেই ঘটনার রেশ ধরে কেন্দ্র-রাজ্যের মধ্যে চাপানউতোর শুরু হয়েছে। তার মধ্যেই হালিশহরে কর্মী খুনের ঘটনা বিজেপি নেতৃত্বের ক্ষোভ কয়েক গুণ বাড়িয়ে দিয়েছে বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহলের একাংশ।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news