ওয়েব ডেস্ক:
কলকাতা: রাজনৈতিক পরিচয়ের উর্ধ্বে আমরা বাঙালি, তদুপরি মানুষ—এমন কথাই যেন বলতে চাইলেন মধ্যমগ্রামের বিজেপি নেতারা। মধ্যমগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বিজিপি কর্মীরা সৌজন্য বিনিময়ের নজির সৃষ্টি করলেন। বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করলেন তাঁরা শাসক তৃণমূলের সঙ্গে, বিরোধী বামেদের সঙ্গেও। খালি হাতে নয়। এক হাঁড়ি রসগোল্লাও ছিল বিজেপি কর্মীদের হাতে। একইসঙ্গে বাঙালি সৌজন্য ও গাঁধীগিরি দেখালেন তাঁরা।
শাসক থেকে অন্য বিরোধী, থানার বড়বাবু-মেজবাবুরা পর্যন্ত গেরুয়া শিবিরের সৌজন্যে মুগ্ধ। যদিও লোকসভা ভোটমুখী রাজ্যে কোনও রাজনৈতিক দল এক ইঞ্চ জমি ছাড়তে রাজি নয়। এমত অবস্থায় বেনজি’র মিষ্টিমুখ কেন?
বিজেপির মধ্যমগ্রাম বিধানসভার সংযোজক, এলাকার পরিচিত নেতা দীপ্তিমান বসু বলেন, ‘দুর্গা পুজোর পর আমরা প্রতিবেশী-স্বজনদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করি। গুরুজনদের প্রণাম করি। কোলাকুলি, মিষ্টিমুখ সবই বাংলার সংস্কৃতির অঙ্গ। আমরা যারা রাজনীতি করি, রাজনৈতিক প্রতিবেশীদের মধ্যেও এই সংস্কৃতি ছড়িয়ে দিতে চাই।’
মধ্যমগ্রাম পুরসভার পুরপ্রধান রথীন ঘোষ, মধ্যমগ্রাম বিধানসভা’র বিধায়কও। দীপ্তিমানরা তাঁকে এবং অন্যান্য নেতাদের পুরভবনে গিয়ে মিষ্টিমুখ করান। আগে থেকেই পুরপ্রধানের দপ্তরের সময় চেয়ে রেখেছিলেন। রাজনীতি’র কথার বদলে ছকভাঙা বিজয়ের শুভেচ্ছা পেয়ে খুশি তৃণমূল নেতারাও।
বিজেপি যখন মধ্যমগ্রাম ফরওয়ার্ড ব্লক অফিসে বিজয়ার শুভেচ্ছা বিনিময় করতে যায় তখন সেখানে ছিলেন জেলার নেতা স্বপন বসু। তাঁর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়া, ‘শুভ উদ্যোগ। এতে রাজনৈতিক সুস্থতা বজায় থাকবে।’ এরপর মধ্যমগ্রামে সিপিএমের জোনাল কমিটির অফিসে জেলার নেতা সনৎ বিশ্বাসের হাতে মিষ্টির বাক্স তুলে দেন দীপ্তিমানরা।
তবে শুধু রাজনৈতিক নেতারাই নন, এয়ারপোর্ট এবং মধ্যমগ্রাম থানাতেও পৌঁছে গিয়েছে বিজেপির বিজয়ার মিষ্টির বাক্স।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news