চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
লাদাখের গালওয়ান ঘাঁটির সংঘর্ষে চিনা পিপলস লিবারেশন আর্মির (China Peoples Liberation Army) কতজন সেনার মৃত্যু হয়েছে, তা নিয়ে ঝেড়ে কাশতে নারাজ বেজিং। সে দেশের সরকারি সংবাদপত্র ‘গ্লোবাল টাইমস’-এর সম্পাদক টুইট করে প্রাণহানির কথাও জানিয়েছেন। প্রথমে জানানো হয়, ৫ জন সেনা মারা গিয়েছেন এই লড়াইয়ে, আহত হয়েছেন ১১ জন। কিন্তু,তারপর থেকেই একেবারে নীরব হয়ে গিয়েছে চিনা প্রশাসন। চিনা সরকারের বেতার বার্তায় আড়ি পেতে ভারত জেনেছে লাল ফৌজের ৪৩ জনের মৃত্যু হয়েছে। ভারতীয় সেনা (Indian Army) সূত্রের দাবি করা হয়েছে, এই সংঘর্ষে চিনেরও একাধিক সেনার মৃত্যু হয়েছে। প্রাথমিক ভাবে জানানো হয়েছিল সংখ্যাটা পাঁচ। কিন্তু রাতে সংবাদ সংস্থা এএনআই-কে উদ্ধৃত করে বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, ভারতীয় সেনার হিসেব মতো চিনের তরফে হতাহত ৪৩।
চিনা বাহিনী হেলিকপ্টার এনে তাঁদের নিয়ন্ত্রণরেখার এ-পার থেকে তুলে নিয়ে গিয়েছে সেই সব মৃতদেহ। চিন অবশ্য রাত পর্যন্ত সরকারি ভাবে তাদের কোনও সেনার মৃত্যুর কথা স্বীকার করেনি। তবে চিনের বিদেশ মন্ত্রালয় মুখপাত্র ভারতীয় সেনাবাহিনীর প্ররোচনায় হামলার কথা উল্লেখ করে বিবৃতি দিয়েছে। সে দেশের সরকারি সংবাদপত্র ‘গ্লোবাল টাইমস’-এর সম্পাদক টুইট করে প্রাণহানির কথাও জানিয়েছে। কিন্তু চিনের রাষ্ট্রপতি শিং জিনপিংয়ের সরকার (Xi Jinping Govt.) এমন উদ্বেগজনক পরিস্থিতি প্রসঙ্গে নীরব কেন ? তা নিয়েও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।
মঙ্গলবার বিকেলে ‘গ্লোবাল টাইমস’ চিনা সেনাকে উদ্ধৃত করে জানিয়েছে, ভারতীয় সেনা গালওয়ান গালওয়ান ফের প্রকৃত নিয়ন্ত্রণরেখা টপকে চিনা ভূখণ্ডে প্রবেশ করে বহু ক্ষয়ক্ষতি করেছে। এদিন কার্যত হুমকির স্বরে ‘গ্লোবাল টাইমস’-এ বলা হয়েছে, “ভারতের ঔদ্ধত্য এবং বেপরোয়া মনোভাবই চিন-ভারত সীমান্তে লাগাতার উত্তেজনার জন্য দায়ী। চিন সংঘাত তৈরি করে না, করবেও না। কিন্তু তারা সংঘাতকে ভয়ও পায় না।” বুধবার সকালে চিনের সরকারি সংবাদমাধ্যম পিপলস ডেইলি এবং পিএলএ ডেইলি-র যে সংস্করণ প্রকাশিত হয়েছে, তাতে হতাহতের সংখ্যার কোনও উল্লেখ নেই।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news