ওয়েব ডেস্ক:
রবিবার ব্যারাকপুরের ঘটনায় ফের প্রমাণিত হল পুলিশের অপদার্থতা। আলাদা করে নাম আসছে পুলিশ সুপার মনোজ ভর্মার। প্রসঙ্গত, ছুটির দিনে তৃণমূল-বিজেপি সংঘর্ষের সময় বন্দুক উঁচিয়ে গুলি চালাতে দেখা যায় মনোজ ভর্মাকে। অন্যদিকে সাংবাদিক নিগ্রহ সহ একাধিক অভিযোগ উঠেছে ডিসি ডিডি অজয় ঠাকুরের বিরুদ্ধেও। স্থানীয়দের মতে, পুলিশের সদিচ্ছার অভাবেই স্বাভাবিক হচ্ছে না ব্যারাকপুর শিল্পাঞ্চল। অধস্তনদের বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ উঠলেও মানতে রাজি নন এডিজি আইনশৃঙ্খলা জ্ঞানবন্ত সিং। তিনি উল্টে দাবি করেন, পুলিশ যথেষ্ট ধৈর্য সহকারে কাজ করেছে।
প্রসঙ্গত, রবিবার শ্যামনগরের ফিডার রোডে থাকা বিজেপির একটি পার্টি অফিস দখলের চেষ্টা করে তৃণমূল। দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বাধে। যা থামাতে এলাকায় যায় পুলিশ। গোটা অপরেশনের নেতৃত্বে ছিলেন ব্যারাকপুর কমিশনারেটের পুলিশ সুপার মনোজ ভার্মা। পুলিশ পৌঁছতেই তাদের লক্ষ্য করে ইট ছুঁড়তে শুরু করে উত্তেজিত জনতা। একটা সময় পুলিশ সুপারকে ঘিরে ধরে উত্তেজিত জনতার ভিড়। অবস্থা চরমে পৌঁছয়। ক্ষিপ্ত জনতার সামলাতে না পেরে পুলিশ সুপারকে একা রেখেই পালাতে থাকেন অন্য পুলিশ কর্মীরা। পড়িমরি পালাতে গিয়ে মুখ থুবড়ে পড়েন মনোজ ভার্মা নিজে। এরপরেই এক সহকর্মীর কাছ থেকে বন্দুক নিয়ে শূন্যে গুলি চালাতে দেখা যায় তাঁকে।
অন্যদিকে একইদিনে ইলেকট্রনিক মিডিয়ার এক সাংবাদিক অনন্ত চট্টোপাধ্যায়কে সপাটে চড় কষান ডিসি ডিডি ১ অজয় ঠাকুর। তিনি ঘাড় ধাক্কা দিয়ে সাংবাদিকদের হটিয়ে দেওয়ার চেষ্টাও করেন।
সব মিলিয়ে স্থানীয়দের কাছে চরমভাবে সমালোচিত পুলিশ। স্থানীয়দের বক্তব্য, লোকসভা নির্বাচনের পর থেকে দুষ্কৃতীদের নিয়ন্ত্রণ করে এলাকার পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে না পারলেও সাংবাদিকদের ওপরে হাত উঠে যায় অজয় ঠাকুরের। এদিকে অনন্ত চট্টোপাধ্যায়কে নিগ্রহের প্রতিবাদে সোমবার ব্যারাকপুরের চিড়িয়ামোড়ে বিক্ষোভ দেখান সাংবাদিকরা।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news