নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
শেষ পর্যন্ত ইসলামপুরের ঘটনার প্রতিবাদে বুধবার ২৬ সেপ্টেম্বর বাংলা বনধ ডাকল বিজেপি। ফলে বাতিল হল নবান্ন অভিযান।
সূত্রের খবর, বিজেপি কর্মীদের একটি বড় অংশ চাইছিল বনধ হোক। জেলা থেকে এমন খবরই আসছিল। জেলার বড়-ছোট নেতারা তো বটেই, কর্মী-সমর্থকদের চাহিদাও ছিল বনধ। মোটের ওপর তাঁরা বলছিলেন মাঝেরহাট, বাগরির মত ইস্যু হাতছাড়া হয়েছে। তারও আগে পুরুলিয়ার রহস্যজনক জোড়া মৃত্যু নিয়েও বিজেপি তেমন কিছু করে উঠতে পারেনি।
রাজ্য নেতৃত্ব দলের সদর দফতরে বিশেষ বৈঠকে বসেছিল এই মর্মে আলোচনা করার জন্য। বৈঠকে রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষ যেমন ছিলেন, ছিলেন মুকুল রায়ও। সেখানেই বনধের সিদ্ধান্ত হয়।
সূত্রের খবর, বনধ দিলীপ ঘোষের অপছন্দ। তাঁর বক্তব্য, বনধ নিতান্তই বাম ও কংগ্রেসি সংস্কৃতি। দিলীপ যাই বলুন, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এখন বিরোধীর ভূমিকায় থাকলে একের পর এক এত বড় বড় ইস্যু কতটা সাফল্যের সঙ্গে ব্যবহার করতেন সেই আলোচনা এখন বিজেপির অন্দরেই হচ্ছে।
অন্য দিকে বনধ ডাকলে সাধারণ মানুষের অসুবিধার দিকটিও মাথায় রাখছে বিজেপিকে। বনধ নামক রাজনৈতিক অস্ত্রটি সাধারণ মানুষ এখন আর কতটা সদর্থক ভাবে গ্রহন করেন সেই প্রশ্নও বিজেপি নেতাদের ভাবিয়েছিল। তবে শেষ পর্যন্ত বনধের পক্ষেই গেলেন বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব।
যদিও তারা জানেন বনধ ডাকলে তৃণমূল কংগ্রেসও বনধ প্রতিহত করতে রাস্তায় নামবে। বিজেপি-তৃণমূল মুখোমুখি সংঘর্ষে লিপ্ত হওয়ার পরিস্থিতি তৈরি হওয়া অসম্ভব নয়।
তবু দলের বড় অংশ মনে করেছে ফল যাই হোক রাজ্য জুড়ে প্রতিবাদ সংগঠিত করতে বনধ ডাকতেই হত। সেই বনধই হচ্ছে আগামী ২৬ সেপ্টেম্বর।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news