নীল রায়। ভাই নয়, ভাইপোই শেষ কথা দলে! যত দিন যাচ্ছে, ততই তা স্পষ্ট করে বুঝিয়ে দিচ্ছেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বুধবার ঘটল তেমনই আর এক ঘটনার পুনরাবৃত্তি। মঙ্গলবার বিজেপির রাজ্য অফিসে হুগলি জেলার তারকেশ্বরের দুটি গ্রাম পঞ্চায়েত দখলের দাবি করেছিলেন বিজেপি নেতা মুকুল রায়। সেই দখলের জবাব দিতে এদিন আসরে নামেন ভাইপো অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। তৃণমূল ভবনে পঞ্চায়েত সদস্যদের পাশে নিয়ে বিজেপির আক্রমণ এর জবাব দেন তিনি। বিজেপি তথা মুকুল রায়কে কড়া কথা শোনানোর পাশাপাশি অভিষেকের মধ্যে দেখা গিয়েছে ২৩ মে-র আগের সেই “ডোন্ট কেয়ার অ্যাটিটিউড।” ৩৪ থেকে ২২ শে নেমে গিয়ে ও পিসি-ভাইপো জুটির যে আদৌ কোনও শিক্ষা হয়নি, তা আবারও প্রমাণ হল অভিষেকের অতি পরিচিত হুংকারে, মত রাজনৈতিক মহলের। গত শুক্রবার তৃণমূল ভবনে হুগলি জেলা নেতৃত্বকে নিয়ে বসেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে যাবতীয় সমস্যা মেটানোর দায়িত্ব মমতা দিয়েছিলেন পুরমন্ত্রী তথা হুগলি জেলা তৃণমূলের পর্যবেক্ষক ফিরহাদ হাকিমকে। হুগলি জেলা তৃণমূলের সভাপতি তপন দাশগুপ্তকে রেখে সঙ্গে জুড়ে দিয়েছিলেন আরও তিনজন কার্যকরী সভাপতিকে। প্রবীর ঘোষাল, অসীমা পাত্র ও দিলীপ যাদবকে। সদ্য হুগলি লোকসভা কেন্দ্রে পরাজিত রত্না দে নাগকে নাকি আবার করা হয়েছিল হুগলি জেলা তৃণমূলের চেয়ারপার্সন। শোচনীয়’ হারের পর সাংগঠনিক রদবদল করেও, হুগলির তালপুর ও চাপাডাঙ্গা পঞ্চায়েত রক্ষার দাবি জানাতে শেষমেষ ভাইপোর ওপরই আস্থা রাখলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এদিনের সাংবাদিক সম্মেলনে তারকেশ্বরের পরিযায়ী বিধায়ক রচপাল সিং ছাড়া হাজির ছিলেন না দায়িত্বপ্রাপ্ত কোনও নেতা। অন্যদিকে এন আর এস কান্ড নিয়ে দলীয় অবস্থান ব্যাখ্যা করলেন অভিষেকই। সন্দেশখালি নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন সামলালেন তিনিই। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা এভাবেই মমতা বুঝিয়ে দিতে চাইছেন তৃণমূল কংগ্রেসের বর্তমান ‘সেকেন্ড-ইন-কমান্ড” অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, উওরসূরীও!
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news