প্রসেনজিৎ ধর:
রাজধর্ম সকলকে সমদৃষ্টিতে দেখার কথা বলে। জাতি-ধর্ম-ধনী-দরিদ্র্য নির্বিশেষে সকলকে। সব সম্প্রদায়কেও। দেশের সংবিধানেও মোটের ওপর বিধান এমনটাই। কিছু কিছু বিশেষ ক্ষেত্রের কথা বাদ দিলে।
প্রশ্ন উঠেছে মমতার প্রশাসনের মনোভাব কী সব সম্প্রদায়ের প্রতি সমান! রামনবমী নিরস্ত্র করতে মমতার দল ও প্রশাসন যে পন্থা অবলম্বন করে মহরমের তাজিয়ার নিরস্ত্রীকরণ করতেও কী একই পথ গ্রহন করে! সব চেয়ে বড় কথা হল, এই প্রশ্ন কোনও বিরোধী দল থেকে উঠে আসেনি, মমতার কড়া সমালোচকরাও এই প্রশ্ন তোলেননি। যিনি তুলেছেন তিনি মুখ্যমন্ত্রীর নিতান্তই কাছের মানুষ, কেষ্ট, বীরভূমের বীর সন্তান অনুব্রত মণ্ডল। শুনতে অবাক লাগলেও এটাই ঘটনা যে মঙ্গলবার হুগলির তারকেশ্বরে অনুব্রত এমন মন্তব্যই করেন। রামনবমীর শোভাযাত্রায় অপ্রাপ্তবয়স্কদের হাতে অস্ত্র তুলে দেওয়ার সমালোচনা করতে গিয়ে, অনুব্রত দাবি করেন, মহরমের সময় তাঁর জেলায় তিনি মৌলবীদের অনুরোধ করেছিলেন অস্ত্র ব্যবহার না করতে। তাঁর দাবি মৌলবীরাও তাঁর অনুরোধ মেনে অস্ত্র ছাড়াই তাজিয়া বার করেছিলেন। প্রশ্ন উঠেছে ঠিক এইখানেই। ‘রামনবমীর বেলায় পুলিশি অবরোধ আর মহরমের বেলায় মিষ্টি অনুরোধ!’ কেন এই বৈষম্য? মমতার দল ও প্রশাসনের কেন এই দ্বিচারিতা? এসব প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে হিন্দু সংগঠনগুলির তরফে। শুধু তাই নয় তারা বলতে শুরু করেছেন, ‘এই রাজ্যে খুব স্বাভাবিক ভাবেই সব সম্প্রদায় মিলেমিশে থাকে। এটাই এ দেশের শাশ্বত, এটাই সত্য। শাসকদল ও প্রশাসন সম্প্রদায়গুলিকে ভিন্ন দৃষ্টিতে দেখে, ভিন্ন ব্যবহার করে সম্প্রদায়গুলির মধ্যে বিভেদ সৃষ্টি করছে।
বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিয়ো পেতে চ্যানেল হিন্দুস্তানের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
https://www.youtube.com/channelhindustan
https://www.facebook.com/channelhindustan
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news