নিজস্ব প্রতিনিধি।
নাগরিকত্ব সংশোধনী আইনের (CAA) বিরুদ্ধে আন্দোলন গড়ে তুলতে একাধিক পদক্ষেপ নিচ্ছে কংগ্রেস (Congress)। ইতিমধ্যে কংগ্রেস শাসিত পাঞ্জাব বিধানসভায় সিএএ বিরোধী প্রস্তাব পাশ করেছে। কিন্তু তাতেও যে বিশেষ লাভ নেই, তা কার্যত স্বীকার করে নিলেন কংগ্রেসের তিরুবন্তপুরম সাংসদ শশী থারুর (Sashi Tharoor)। জাতীয় সংবাদমাধ্যমের এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, “সিএএ-র বিরুদ্ধে প্রস্তাব পাশ করানোর আসল উদ্দেশ্য রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করা। কেন না নাগরিকত্ব দেওয়ার আসল কাজ করবে কেন্দ্রীয় সরকার। এতে রাজ্যের ভূমিকা নগণ্য।”
প্রসঙ্গত, নাগরিক সংশোধনী আইনের বিরুদ্ধে কেরল বিধানসভায় প্রস্তাব পাস করেছে সিপিএমের মুখ্যমন্ত্রী পিনারাই বিজয়ন। পাশাপাশি তিনি সুপ্রিম কোর্টেও এই আইনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন। দেশের সর্বোচ্চ ন্যায়ালয়ের দ্বারস্থ না হলেও, পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় পাঞ্জাব ও কেরলের কায়দায় আগামী ২৭ জানুয়ারি রাজ্য বিধানসভার সিএএ-র বিরুদ্ধে প্রস্তাব আনছেন।
থারুর বলেন, “আসলে এই পদক্ষেপটা রাজনৈতিক। কারণ নাগরিকত্ব কেন্দ্রীয় সরকারের দেওয়ার ক্ষমতা থাকে। কোনও রাজ্য দেয় না। তাই এটা লাগু করার ক্ষেত্রে কোনও সম্পর্ক নেই রাজ্যের।” কংগ্রেস সাংসদ আরও বলেন, “রাজ্য অবশ্যই এই প্রস্তাব বাতিল করতে পারে বা আদালতে যেতে পারে, কিন্তু এর ব্যবহার নিয়ে কিছু করার নেই। রাজ্য সরকার এটা বলতে পারে না যে তারা সিএএ লাগু করবে না। তবে হ্যাঁ, তারা এটা বলতে পারে যে এনপিআর-এনআরসি লাগু করবে না। কারণ এতে রাজ্যের সক্রিয় ভূমিকা থাকে।” প্রসঙ্গত, দিনকয়েক আগেই কংগ্রেসের বরিষ্ঠ আইনজীবী তথা নেতা কপিল সিব্বল ও সলমন খুরশিদ একই কথা বলেছিলেন। একের পর এক কংগ্রেস নেতার মন্তব্য অস্বস্তি তৈরি করছে এআইসিসি-র অন্দরে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news