ওয়েব ডেস্ক:
প্রয়াত হলেন হিন্দুস্থানী উচ্চাঙ্গ সঙ্গীতের অন্যতম শ্রেষ্ঠ প্রতিভা অন্নপূর্ণা দেবী। পিতা ছিলেন কিংবদন্তী শিল্পী তথা গুরু। অন্নপূর্ণা ছিলেন তাঁর যোগ্য তনয়া। তথাপি যেভাবে রবিশঙ্কর, আলি আখবরদের মানুষ চিনেছেন সেভাবে অন্নপূর্ণা দেবীকে চেনেনি দুনিয়ার সঙ্গীতপ্রেমিরা। তবে এই অন্তরালের জীবন ছিল স্বেচ্ছায়। হয়তো গভীরতর শিল্প জীবন কাটিয়ে গেলেন তিনি। চলেও গেলেন নিঃশব্দে।
কয়েক বছর ধরেই ভুগছিলেন বার্ধক্যজনিত একাধিক অসুখে। শুক্রবার গভীর রাতে মুম্বইয়ের ব্রিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে প্রয়াত হলেন অন্নপূর্ণা দেবী। প্রয়াণকালে বয়স হয়েছিল ৯২ বছর ।
মধ্যপ্রদেশের মাইহার শহরে জন্ম। বাবা বিখ্যাত সঙ্গীতজ্ঞ আলাউদ্দিন খান। মা মদিনা বেগম। পিতামাতার চার সন্তানের সর্বকনিষ্ঠ ছিলেন তিনি। উস্তাদ আলি আকবর খান তাঁর দাদা।
বাবার কাছে পাঁচ বছর বয়সে সেতারে হাতেখড়ি। সেতারই ছিল পছন্দের বাদ্যযন্ত্র। বলা বাহুল্য, জনসমক্ষে আসা বিশেষ পছন্দ করতেন না অন্নপূর্ণা দেবী। অল্পসংখ্যক ছাত্রকে শেখাতেন। কিন্তু কারা তাঁরা? তাঁরা হলেন আশিস খান, অমিত ভট্টাচার্য, বাহাদুর খান, যতীন ভট্টাচার্য, হরিপ্রসাদ চৌরাসিয়া, নিত্যানন্দ হলদিপুর প্রমুখ।
হিন্দুস্তানী সঙ্গীতে সেনিয়া মাইহার ঘরানা অন্নপূর্ণা দেবীর অবদান। তিনি একসময় পন্ডিত রবিশঙ্করের স্ত্রী ছিলেন। তাঁদের সন্তানের নাম শুভেন্দ্র শঙ্কর। যিনি ১৯৯২ সালে মারা যান।
রবিশঙ্করের সঙ্গে বিচ্ছেদের পরে ১৯৮২ সালে অন্নপূর্ণা দেবীর সঙ্গে রুশিকুমার পাণ্ড্য নামে এক ম্যানেজমেন্ট কনসালট্যান্টের বিবাহ হয়। তিনি মারা গিয়েছেন ২০১৩ সালে।
অন্নাপূর্ণা দেবীর মৃত্যুতে শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news