Breaking News
Home / TRENDING / সমালোচনার শাস্তি, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি থেকে বাদ পত্রলেখক বাহিনী

সমালোচনার শাস্তি, উত্তরপ্রদেশ বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি থেকে বাদ পত্রলেখক বাহিনী

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

দেশের সবচেয়ে বড় রাজ্য উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা নির্বাচনের প্রস্তুতি শুরু করে দিল কংগ্রেস। উল্লেখ্যভাবে সেই প্রস্তুতি পর্বে‌ যে কমিটি গঠন হয়েছে তাতে বাদ পড়েছেন কংগ্রেসের পত্রলেখক বাহিনী। গতমাসে ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকের আগে ২৩ জন কংগ্রেসের শীর্ষ নেতা সনিয়া গাঁধীকে (Sonia Gandhi) চিঠি লিখে দলের সাংগঠনিক নির্বাচনের জন্য অনুরোধ জানান। সঙ্গে দাবি করেন, দলের এমন সংকটময় পরিস্থিতিতে একজন পূর্ণ সময়ের নির্বাচিত সভাপতি প্রয়োজন। অবিলম্বে সাংগঠনিক নির্বাচনের ব্যবস্থা করুন সভানেত্রী। তাতে রুষ্ট হয় গাঁধী পরিবারের সদস্যরা। এআইসিসির (AICC) ওয়ার্কিং কমিটির বৈঠকে পত্রলেখক বাহিনীকে বিজেপির মদতদাতা হিসেবে আখ্যা দেন রাহুল গাঁধী (Rahul Gandhi)। কিন্তু তড়িঘড়ি শীর্ষ নেতৃত্ব উদ্যোগী হয়ে অন্তর্দ্বন্দ্বের এই আগুনে জল ঢালেন।

কিন্তু অভ্যন্তরীণ সেই আগুন যে এখনও ধিকধিক করে জ্বলছে কংগ্রেসের অন্দরে তা বোঝা গেল রবিবার সন্ধ্যায়। উত্তরপ্রদেশের নির্বাচনে মূলত দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে তাদের যারা পত্রলেখা বাহিনীর চিঠির প্রকাশ্যে নিন্দা করেছিলেন। নির্বাচনের আগে দলের ইস্তেহার তৈরির জন্য যে কমিটি তৈরি করা হয়েছে সেই কমিটির নেতৃত্ব দেবেন বর্ষীয়ান কংগ্রেস নেতা সলমন খুরশিদ। দলে রদবদলের জন্য সনিয়া গাঁধীকে চিঠি লেখা ২৩ নেতার মধ্যে ছিলেন উত্তরপ্রদেশের বর্ষীয়ান নেতা জিতিন প্রসাদ ও রাজ বব্বর। তাঁদের নতুন কমিটিতে জায়গা হয়নি। সনিয়াকে চিঠি লেখার নিন্দে করা দুই কংগ্রেস নেতা নির্মল খাতরি ও নসিব পাঠানের জায়গা হয়েছে কমিটিতে। 

ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের সাধারণ সম্পাদক, পূর্ব উত্তরপ্রদেশের দায়িত্বে থাকা প্রিয়াঙ্কা গাঁধী বঢড়া নিজের কাজ শুরু করে দিয়েছেন বলেই খবর। সেই কাজে গতি আনতেই এই কমিটি গঠন করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে। সনিয়াকে চিঠি লেখা জিতিন প্রসাদ ও রাজ বব্বর ছাড়াও গুলাম নবি আজাদ, কপিল সিব্বল, শশী থারুর, আনন্দ শর্মাদের মতো বর্ষীয়ান নেতাদের জায়গা হয়নি এই কমিটিতে। জাতীয় রাজনীতির কারবারিদের মতে, উত্তরপ্রদেশের বিধানসভা ভোটে পত্রলেখক বাহিনীকে ছেঁটে ফেলে গাঁধী পরিবার বোঝাতে চেয়েছে, কংগ্রেসে থাকতে হলে গাঁধী পরিবারের আনুগত্য বজায় রেখেই চলতে হবে। নচেৎ এআইসিসির রাজনীতিতে কোণঠাসা করে দেওয়া হবে বিদ্রোহীদের। তাই কংগ্রেসের পত্রলেখক বাহিনী যেভাবে সভাপতি নির্বাচনের দায়িত্ব তুলে ছিল তাও সম্ভবত খারিজ হয়ে যেতে চলেছে। আগামী কয়েক মাসের মধ্যেই ফের হয়তো এআইসিসির সভাপতি পদে দেখা যাবে রাজীব তনয়কে।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *