নীল রায়।
৯০-এর দশকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলার ঘটনায় বেকসুর খালাস লালু আলম। তিন দশকের পুরোনো মামলায় এমন রায়দানে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কিছুটা কটাক্ষই করল কংগ্রেস ও সিপিএম। মামলা খারিজ হয়ে যাওয়া নিয়ে প্রতিক্রিয়ায় বিরোধী দলনেতা আবদুল মান্নান বলেন, “ওই সময় ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক ফায়দা হাসিলের চেষ্টা হয়েছিল। বামফ্রন্ট জামানায় সেই ঘটনা যত না ঘটেছিল তার চেয়ে অনেক বেশি প্রচার করা হয়েছিল। এখন দেখা গেল সেই মামলাই খারিজ হয়ে গিয়েছে। তাও আবার মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানাতেই।”
প্রায় একই সুরে মহম্মদ সেলিম বলেন, “মিথ্যার রাজনীতি করলে বেশি দূর এগোনোর যায় না। সেই সময় ঘটনাটি নিয়ে অনেক মিথ্যাচার করে রাজনীতিতে উঠে এসেছেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বামফ্রন্ট সরকার সেই ঘটনার স্বত:প্রণোদিত মামলা দায়ের করেছিল ভবানীপুর থানায়। দলগতভাবেও ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল। আলম ব্রাদার্সরা বর্তমানে বিজেপির ছত্রছায়ায়। স্বাভাবিক ভাবেই এখন তা দিনের আলোর মতো স্পষ্ট যে কেন মুখ্যমন্ত্রী আর এই মামলাটি নিয়ে এগোতে চাইলেন না।”
প্রসঙ্গত, ১৯৯০ সালে হাজরা মোড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর হামলায় মূল অভিযুক্ত ছিলেন তৎকালীন সিপিএম নেতা লালু আলম। মূলত সাক্ষীর অভাবেই দোষ প্রমাণিত হয়নি তাঁর। ১৯৯০ সালের ১৬ অগাস্ট প্রদেশ কংগ্রেসের ডাকা বনধের সমর্থনে হাজরা মোড়ে রাস্তায় নামেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেদিন হাজরা মোড়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ওপর লালু আলম ও তাঁর দলের লোকেরা চড়াও হন বলে অভিযোগ উঠেছিল। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মাথায় বাঁশের দিয়ে মারা হয় বলেও অভিযোগ করা হয়। এই ঘটনা তাঁর রাজনৈতিক জীবনে এক অন্যমাত্রা এনে দিয়েছিল। কিন্তু, সাক্ষীর অভাবে মামলা খারিজ হয়ে যাওয়ায় বিরোধীদের আক্রমণের মুখে পড়লেন মুখ্যমন্ত্রী।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news