নীল রায়।
কাশ্মীরের (Kashmir) কুলগামে মৃত মুর্শিদাবাদের শ্রমিকদের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে গিয়ে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে তোপ দাগলেন কংগ্রেসের লোকসভার দলনেতা অধীর চৌধুরী (Adhir chowdhry)। বুধবার সকালে নিহতদের পরিবার পরিজনদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন তিনি। কংগ্রেস সাংসদ অধীররঞ্জন চৌধুরি বলেন, “ইতিমধ্যেই দ্রুত বিমানে দেহ রাজ্যে পাঠানোর আবেদন জানিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রকের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি।” কেন্দ্রকে নিশানা করেন কংগ্রেস সাংসদ। তিনি আরও বলেন, “জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ অনুচ্ছেদ প্রত্যাহার করেছে মোদী সরকার। কিন্তু খেটে খাওয়া শ্রমিকের কাছে ৩৭০ ধারা অর্থহীন, তাঁদের প্রয়োজন রুটি-রুজি। আর সেই কারণেই কাশ্মীরে যাওয়া। সেখানে তাঁদের নিরাপত্তা কোথায়।” ঘটনার প্রতিবাদে দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে (Amit Shah) চিঠি দিয়েছেন অধীর। পাশপাশি অধীর চৌধুরী মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে আবেদন করেন যেন সরকারের তরফে নিহতদের পরিবারকে সাহায্য করা হয়। পরিবারের অন্তত একজন সদস্যকে যেন চাকরি দেওয়া হয়।
প্রসঙ্গত, মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘির বহালনগর এলাকা থেকে বেশকিছু শ্রমিকের একটি দল গিয়েছিল কুলগামে। মূলত আপেল বাগানে কাজ করতেন এই শ্রমিকরা। কাতরাসু গ্রামেই একটি বাড়ি ভাড়া নিয়ে থাকতেন তাঁরা। সেই বাড়ি থেকে ওই শ্রমিকদের বের করে এনে এলোপাথাড়ি গুলি চালায় জঙ্গিরা। নিহত হয় ৪৫ বছরের রফিক শেখ, ৩৫ বছরের কামরুদ্দিন, মুরসালিম শেখ ৪৫ বছরের, নইমুদ্দিন শেখ ৪২ বছরের এবং রফিকুল শেখ ২৩ বছরের। এদের মধ্যে তিনজনের বাড়ি মুর্শিদাবাদের সাগরদিঘি থানা এলাকায় বোখরা-২ গ্রামপঞ্চায়েতের ব্রাহ্মণী গ্রামে।
বুধবার সকালেই সাগরদিঘি গ্রামে পৌঁছন শ্রম প্রতিমন্ত্রী জাকির হোসেন, তৃণমূল সাংসদ খলিলুর রহমান (Khalilur Rahman)। জঙ্গিপুরের সাংসদ খলিলুর রহমান বলেন, ‘মুখ্যমন্ত্রী ও পরিবহনমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। রাজ্য প্রশাসন চেষ্টা করছে যাতে আজ রাতের মধ্যেই নিহতদের দেহ তাদের পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া যায়। রাজ্য প্রশাসন ও সাংসদ হিসেবে আমি নিহতদের পরিবারের পাশে রয়েছি। সবরকম সাহায্য করতে আমার প্রস্তুত।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news