Breaking News
Home / TRENDING / দেশের প্রায় ৪৪ শতাংশ স্কুল এখনও বিদ্যুৎহীন : রিপোর্ট

দেশের প্রায় ৪৪ শতাংশ স্কুল এখনও বিদ্যুৎহীন : রিপোর্ট

নিজস্ব প্রতিনিধি।

দেশের ৪৪ শতাংশ সরকারি স্কুলে বিদ্যুৎ নেই। সবথেকে খারাপ অবস্থা মেঘালয় এবং মধ্যপ্রদেশের। এই দুই রাজ্যের ৮০ শতাংশ স্কুল বিদুৎহীন। শুধু তাই নয়, ক্লাসরুম স্কুলবাড়ি সবকিছুতেই যথাযথ পরিকাঠোমার অভাব রয়েছে। চমকে দেওয়ার মত এই পরিসংখ্যাণ দিয়েছে পার্লামেন্টের স্ট্যান্ডিং কমিটির মানব সম্পদ উন্নয়ন দফতর।

এই রিপোর্টে বলা হয়েছে দেশের ৫৬.৪৩ সরকারি স্কুলে বিদ্যুৎসংযোগ আছে। ইউনিয়ান টেরিটরিগুলির অবস্থাও তথৈবচ। ৩৬ টি ইউনিয়ন টেরিটরির মধ্যে ১২ টির ৫০ শতাংশ স্কুলেই বিদ্যুৎ সংযোগ নেই। রিপোর্ট অনুযায়ী উত্তরপ্রদেশের ৩১.০৫ শতাংশ , আসামের ২৪.৭৮ শতাংশ এবং জম্মু কাশ্মীরের ২৮.২৯ শতাংশ স্কুলে বিদ্যুৎ নেই। স্ট্যান্ডিং কমিটির রিপোর্ট অনুযায়ী বাজেটে স্কুল শিক্ষা খাতে টাকাও কমেছে অনেক। ৮২.৫৭০.০৪ কোটি টাকা থেকে কমে তা হয়েছে ২২.৭২৬ কোটি। শুধু তাই নয় স্কুলে ল্যাব তৈরীতেও উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে আছে সরকারি স্কুলগুলি। মেয়েদের এবং বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন বাচ্চাদের স্কুলগুলিরও অবস্থা অত্যন্ত খারাপ। এই স্কুলগুলিতে যথেষ্ট শৌচাগার পর্যন্ত নেই। এরই মধ্যে প্রথমিক এবং মাধ্যমিক স্কুলগুলির অবস্থা তুলনায় খানিকটা ভাল হলেও উচ্চ মাধ্যমিক স্কুলগুলির নিতান্তই বেহাল দশা।

‘সমগ্র শিক্ষা প্রকল্প’ যার মধ্যে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের উন্নতির জন্য সরকারি সবকটি প্রকল্প আসে তার আওতায় ৫৬ টি স্কুলকে উচ্চমাধ্যমিক স্তরে উন্নীত করার কথা ছিল, ১০২১ টি ক্লাসরুম তৈরির কথা ছিল তার জন্য টাকাও পাঠানো হয় কিন্তু সেই একটি কাজও হয়নি।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *