ঈষাণিকা ভোরাইঃ
ঐতিহাসিক রায় দিল কলকাতা হাইকোর্ট। পঞ্চায়েতের মনোনয়ন জমা দিতে না পারায় হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়ে ছিল ভাঙ্গরের কিছু মানুষ। সেই মামলার শুনানির পর সোমবার কোর্টের নির্দেশে আলিপুর জেলাশাসকের দপ্তর এ মনোনয়ন জমা দিতে যান তারা। কিন্তু বেলা তিনটা পর্যন্ত মনোনয়ন জমা দিতে পারেননি ভাঙ্গড়ের পোলেরহাট-১ ব্লকের ওই ৯ জন প্রার্থী। তারা সরাসরি মনোনয়ন জমা করতে না পেরে অন্য উপায় বের করেন। সরাসরি ভাঙ্গরের বিডিও-র মোবাইলে হোয়াটসঅ্যাপ করে মনোনয়নের কাগজ পাঠিয়ে দেন। বিডিও তার প্রাপ্তি স্বীকারও করেন। কিন্তু ইত্যবসরে আলিপুরের জেলাশাসকের দফতরে “উন্নয়ন”-এর হাতে আক্রান্ত হন কোর্টের নির্দেশে মনোনয়ন জমা দিতে আসা ওই প্রার্থীরা। তাদের কাগজপত্র সব ছিঁড়ে ফেলা হয়। এরপর মঙ্গলবার আবার তারা কোর্টের দ্বারস্থ হন। এদিন কোর্ট সেই মামলার শুনানির পরই ঐতিহাসিক রায় দেন। বিচারপতি তাঁর রায় জানান, হোয়াটসঅ্যাপ-এ যে মনোনয়ন জমা পড়েছে তাকে মান্যতা দিতে হবে। কোর্ট নির্বাচন কমিশনকে পরিষ্কার জানিয়ে দেয়, যদি প্রার্থী তালিকায় ওই ৯ জন প্রার্থীর নাম না থাকে তাহলে কোর্ট ওই এলাকার ( পোলেরহাট-১; ভাঙ্গর) ভোট বাতিল করে দিতে পারে। কোর্টের এই নির্দেশের ফলে নতুন দিক খুলে গেল বলেই মনে করছেন অভিজ্ঞ মহল। ইতিমধ্যেই কংগ্রেসের ওম প্রকাশ মিশ্র দাবি করেছেন, অনলাইনে মনোনয়ন জমার ব্যবস্থা করুক কমিশন। পাশাপাশি এই রায়কে হাতিয়ার করে বিরোধীরাও অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার দাবি জানাতে চলেছে তা একপ্রকার বলাই যায়। মঙ্গলবার কলকাতা হাইকোর্টের এই রায়ের প্রেক্ষিতে এটাও বলা যায় যে, এবার সারাদেশে বিভিন্ন ভোটে অনলাইনে মনোনয়ন জমা দেওয়ার দাবি আরো জোরালো হবে। পাশাপাশি এই রায়ে আরও একটা বিষয় পরিষ্কার, রাজ্য নির্বাচন কমিশন ইচ্ছুক প্রার্থীদের মনোনয়ন জমা দেওয়ার ক্ষেত্রে যে নিরাপত্তার নিশ্চয়তা দিতে পারিনি তা প্রমাণিত হলো।
বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিয়ো পেতে চ্যানেল হিন্দুস্তানের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
https://www.youtube.com/channelhindustan
https://www.facebook.com/channelhindustan
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news