নীল রায়
বঙ্গের ভোট নিয়ে কেন্দ্রীয় বিজেপির গুরুত্ব বোঝা গেল কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের তৎপরতায়। “এখানে সুষ্ঠু ভাবে লোকসভা ভোট করতে হলে রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা করলে চলবে না। কেন্দ্রীয়বাহিনীকে সঠিক ভাবে ব্যবহার করার ব্যাপারে কমিশনকেই দায়িত্ব নিতে হবে।” জাতীয় নির্বাচন কমিশনে গিয়ে এমনই দাবি জানালেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতারা। বুধবার নয়াদিল্লির নির্বাচন কমিশনের দফতরে যান কেন্দ্রীয় আইনমন্ত্রী রবিশঙ্কর প্রসাদ, প্রতিরক্ষামন্ত্রী নির্মলা সীতারমন, বিজেপি নেতা মুকুল রায় ও কৈলাস বিজয়বর্গীয়। কমিশনের প্রতিনিধিদের সঙ্গে দেখা করে বাইরে এসে সাংবাদিকদের রবিশঙ্কর প্রসাদ বলেন, “আমরা কমিশনকে জানিয়েছি, বাংলার পুলিশের উপর ভরসা করে সুষ্ঠুভাবে ভোট করা সম্ভব নয়। কেন্দ্রীয়বাহিনীকে ব্যবহার করার ক্ষেত্রে যেন কমিশন রাজ্য পুলিশের উপর ভরসা না করে।” বিজেপি মুকুল রায় বলেন, “কমিশনের কাছে পঞ্চায়েত নির্বাচনের সমস্ত ঘটনার কথা তুলে ধরা হয়েছে। এত হিংসা, এত রক্ত দেশের কোনও রাজ্যে হয় না।” তিনি আরও বলেন, “পঞ্চায়েত নির্বাচনে বাংলায় কী হয়েছে গোটা দেশ দেখেছে। ১০০ জন মানুষের মৃত্যু, গণনার দিন কেন্দ্রে ঢুকে ব্যালট পেপার জ্বালিয়ে দেওয়া, কোনও গণতান্ত্রিক পরিবেশের নমুনা নয়।” এদিন বিজেপি নেতারা কমিশনকে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের প্রত্যেকটি কেন্দ্রে কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করলেই সুষ্ঠু ভোট সম্ভব।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news
সে তো আগেও কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিলো, ২ ০ ১ ৪তে তো কে একজন এমনকি হেলিকপ্টার দেখিয়েছিলেন, তারপর আমরা দেখলাম কেন্দ্রীয় বাহিনী বেরিয়ে বেড়াচ্ছে আর অবাধে ভোট লুট হচ্ছে, এমনকি ভোটারদের লক্ষ্য করে গুলি করা হয়েছিল, ২ ০ ১৬তে কেন্দ্রীয় বাহিনী ছিল, তো বুথের মধ্যে এজেন্ট কে খুন করা হয়েছিল, এরকম আরও উদাহরণ আছে, কেন্দ্রীয় বাহিনী আসলেও তা তো থাকে রাজ্য প্রশাসনের আওতায়, বড়ো বড়ো প্রশাসনিক আধিকারিকদের চমকে রাখে, ভোট মিটলে নির্বাচন কমিশন থাকবে না, তখন বুঝিয়ে দেবো, তারপর ধরুন বিরোধী দলের সম্ভাব্য এজেন্টদের ভয় দেখানো হয়, তাদের পরিবারের ওপর হামলা হয় ভোটের আগে থেকে…এই সব এই সব