চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো:
রাজ্যের স্বাস্থ্য ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে ভেঙে পড়েছে বলে অভিযোগ করলেন দক্ষিণবঙ্গের আরএসএস নেতা জিষ্ণু বসু। ডানকুনির এক স্কুল শিক্ষককে চিকিৎসা পেতে যেভাবে হয়রানি হতে হয়েছে তা নিয়েই সরব হয়েছেন সঙ্ঘের এই নেতা। একইসঙ্গে রাজ্যের চিকিৎসা ব্যবস্থা সম্পর্কে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালকে বিশেষ নজর দেওয়ার জন্য অনুরোধ করেন তিনি।
৫৪ বছর বয়সী দেবাশীষ চট্টোপাধ্যায় নামে এক স্কুল শিক্ষক বহুদিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন। গতকাল তাঁর একটি সেরিব্রাল অ্যাটাক হয়। ডানকুনির একটি বেসরকারি নার্সিং হোম থেকে তাঁকে এসএসকেএম হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। শুধুমাত্র এক্স-রে রিপোর্ট দেখেই ওই শিক্ষকের করোনা হয়েছে, এই সন্দেহে কলকাতা মেডিকেল কলেজে স্থানান্তরিত করেন এসএসকেএমের চিকিৎসকরা। কিন্তু মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল তাঁকে ভর্তি নেয়নি। হাসপাতালের তরফ থেকে বলা হয়, ওই রোগীর যতক্ষণ কোভিড রিপোর্ট পজিটিভ পাওয়া যায়, ততক্ষণ পর্যন্ত ভর্তি নেওয়া যাবে না। বিনা চিকিৎসায় ফেরত আসতে হয় ওই শিক্ষককে। এ নিয়েই সরব হন আরএসএস নেতা জিষ্ণু বসু। তিনি প্রশ্ন তোলেন, “যে মানুষটির কিডনি সমস্যা ছিল সেলিব্রাল অ্যাটাক হয়েছে, যাঁর কোভিড হতেও পারে এই সন্দেহে কলকাতার দুই নামী এসএসকেএম ও মেডিকেল হাসপাতাল ভর্তি নিল না। সেই মানুষটি কি করবে। কিভাবে চিকিৎসা পাবেন।”
আরএসএস নেতা দাবি করেন, “কলকাতার বেসরকারি হাসপাতালগুলিতে প্রতি রাতে ৫০ হাজার টাকা করে বিল হয়। সবাইয়ের কি সেই সামর্থ্য আছে? এই বিষয়ে অবিলম্বে মুখ্যমন্ত্রী বা রাজ্যপাল হস্তক্ষেপ করুন। এই অতিমারি সমস্যাকে কেউ নিজের কাজের জন্য ব্যবহার করছে। কেউ টাকা রোজগার করার জন্য ব্যবহার করছে। কেউ নিজের দায়িত্ব অন্যের ঘাড়ে দেওয়ার জন্য ব্যবহার করছে।” বিধান চন্দ্র রায় ও রোনাল্ড রসের শহরে চিকিৎসা ব্যবস্থার এমন অসহায় ছবি তুলে ধরে উদ্বিগ্ন প্রকাশ করেন জিষ্ণু বসু।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news