নীল বণিক
মুকুলে শুধু আম ধরছে না, আম,জাম, কাঁঠাল এমনকি লাল টুকটুকে চেরিও ধরছে!
দক্ষিণ কলকাতার একটি কফিশপে ব’সে উদাত্ত হাসতে হাসতে এমন কথাই বললেন মুকুল রায়ের ঘনিষ্ঠ ও রাজ্য রাজনীতির হাঁড়ির খবর রাখা এক প্রবীন।
কিন্তু ব্যাপারটা কি?
মুকুল রায় যে কখনও আড়াল থেকে আবার কখনও প্রকাশ্যে সামনে এসে মমতা তথা তৃণমূলের বিরুদ্ধে খেলে চলেছেন তা নির্বাচনের দোরগোড়ায় কারও বুঝতে বাকি নেই। তৃণমূল থেকে নেতা-কর্মীদের যোগ দেওয়াচ্ছেন পদ্মে। কাউকে আবার এখনই প্রকাশ্যে যোগ না করিয়ে ছেড়ে রাখছেন ঘাসফুলের মাঠেই। কংগ্রেসেও নজর রয়েছে তাঁর। ছোটখাটো জয়েনিং হয়েছে বড় জয়েনিং ওয়েটিংয়ে আছে। এরই মধ্যে লাল পার্টিতেও হাত বাড়িয়েছেন মুকুল। মতান্তরে সিপিএমের তিন অত্যন্ত পরিচিত মুখ নাকি নিজেরাই হাত বাড়িয়েছেন মুকুলের দিকে।
যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন অধ্যাপক তথা রাজ্যের একজন প্রাক্তন মন্ত্রী এবার বিজেপিতে যোগ দিলেন বলে। প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বুদ্ধদেব ভট্টাচার্যের উন্নয়ন প্রচেষ্টায় এই অধ্যাপক ছিলেন তাঁর সক্রিয় সহকর্মীদের মধ্যে অগ্রগন্য। বড় শিল্পপতির আপিসে গিয়ে ওয়েটিং লাউঞ্জে বসে থাকতেন ঘন্টার পর ঘন্টা। বোঝার উপায় থাকত না তিনি মন্ত্রী না কোম্পানির পিওন! রাজ্যের উন্নয়নে এমনটাই ছিল তাঁর ডেডিকেসন।
অন্যদিকে উত্তরচব্বিশ পরগনার দুই দাপুটে সিপিএম নেতার সঙ্গেও মুকুলের কথোপকথন চলছে বলে খবর। এঁরা দুজনেই স্বনামধন্য।
রাজ্য বিজেপির একাংশ চাইছে লোকসভার আগে কলকাতা ঘেষা শহরতলির এই সিপিএম নেতাদের হাতে তাড়াতাড়ি দলীয় পতাকা তুলে দিতে। আবার বেশ কয়েকজন মতুয়া সম্প্রদায়ের চেনা মুখের বাম নেতার সঙ্গেও মুকুল রায়ের বৈঠক হয়েছে। তাঁরাও বিজেপিতে যোগদান করতে সমান আগ্রহী বলেই জানা গেছে। কিন্তুু এব্যাপারে এখনই প্রকাশ্যে কিছু বলতে চাইছেন না মুকুল রায়। তিনি বলেন, অনেকেই যোগদানে আগ্রহী। অপেক্ষা করুন, নিশ্চই জানতে পারবেন।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news