Breaking News
Home / TRENDING / দেশ জুড়ে যাঁর বিরুদ্ধে খড়গহস্ত, নিজের ঘরে সেই মোদির কাছেই হারের ভয় মমতার

দেশ জুড়ে যাঁর বিরুদ্ধে খড়গহস্ত, নিজের ঘরে সেই মোদির কাছেই হারের ভয় মমতার

নীল রায়

লোকসভা ভোটে একটি বিধানসভা কেন্দ্র নিয়ে মাথাব্যাথা তৃণমূল নেতা-কর্মীদের !
খোদ মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিধানসভা কেন্দ্র ভবানীপুরের ভবিষ্যৎ নিয়ে ভেবে আকুল তৃণমূলের ম্যানেজাররা। এই মাথাব্যাথার অবশ্য যথোপযুক্ত কারণ রয়েছে বলেই জানাচ্ছেন ভবানীপুর এলাকার তৃণমূল কংগ্রেসের এক নির্ভরযোগ্য সূত্র। প্রসঙ্গত, ২০১৪ সালের ভোটে দক্ষিণ কলকাতা লোকসভার অন্তর্গত ভবানীপুর বিধানসভা থেকে বিজেপি প্রার্থী তথাগত রায় ১৭৬ ভোটের লিড পেয়েছিলেন। তৃণমূল প্রার্থী সুব্রত বক্সী এক লক্ষ ছত্রিশ হাজার ভোটে জিতলেও, তৃণমূল সুপ্রিমোকে ঘরেই হার হজম করতে হয়েছিল সেবার। তখন অবশ্য রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা ছিল, নরেন্দ্র মোদির ঝড়ে উড়ে গিয়েছেন মমতা। পরবর্তী সময় রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের ‘অপদার্থতায়’ সেই ব্যর্থতা ঢেকে ২০১৫ সালের পৌর নির্বাচন ও পরে ২০১৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে আবারও মুখে হাসি ফেরে তৃণমূল নেতাকর্মীদের। ফলস্বরূপ, ২০১৬-র বিধানসভা নির্বাচনে ২৬,৩২৫ ভোটে ভবানীপুর থেকে জেতেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ সব ঠিকই ছিল, কিন্তু ২০১৯ সালের লোকসভা ভোট আবার সব ওলট-পালট করে দিয়েছে। কারণ আবারও নিজের ৫৬ ইঞ্চি ছাতি নিয়ে ভারতের জনতার কাছে প্রধানমন্ত্রী পদপ্রার্থী হয়েছেন নরেন্দ্র মোদী। যার ফলস্বরূপ ভবানীপুর বিধানসভার তৃণমূল কর্মীরা আবারও আশঙ্কার মেঘ দেখতে শুরু করেছেন। তাঁদের আশঙ্কা, সামনে আবারও নরেন্দ্র মোদির মুখ দেখে ভবানীপুরের ভোটাররা পদ্ম চিহ্নে ভোট দেবেন।ফলস্বরূপ আবারও মুখ্যমন্ত্রীর বিধানসভায় পিছিয়ে পড়বেন এবারের দক্ষিণ কলকাতা লোকসভার তৃণমূল প্রার্থী মালা রায়। সম্প্রতি মুখ্যমন্ত্রীর ওয়ার্ড ৭৩ নম্বর ব্লকের একটি কর্মী সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে কালীঘাট পটুয়াপাড়ার জয়হিন্দ ভবনে। যেখানে হাজির ছিলেন দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল কংগ্রেসের সভাপতি দেবাশীষ কুমার, মেয়র পারিষদ বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়, বোরো চেয়ারম্যান সন্দীপ বক্সী, স্থানীয় কাউন্সিলর রতন মালাকার ও মুখ্যমন্ত্রীর ভাই কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই কর্মী সভাতেই ২০১৪ সালের হারের কথা স্মরণ করিয়ে দেন কার্তিক বন্দ্যোপাধ্যায়। সেই ক্ষত মেরামতের জন্য এই সভায় কিছু টোটকাও বাতলে দেন দক্ষিণ কলকাতা জেলা তৃণমূল সভাপতি দেবাশীষ কুমার। ভবানীপুর বিধানসভা এলাকার প্রত্যেক কর্মীকে চারটি করে বাড়ির দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে স্ক্রুটিনির কাজে। তাঁর মতে, এমনটা করলে কর্মীরা ভোটারদের মন সহজেই জয় করতে পারবেন। এবং কোনও বাড়িতে বা কোনও ভোটারদের মধ্যে সমস্যা দেখা গেলে স্থানীয় নেতৃত্বকে গিয়ে প্রচারে অংশ নিতে হবে। কিন্তু, এভাবে নরেন্দ্র মোদির মতো প্রভাবশালী প্রধানমন্ত্রীর মোকাবিলা করা কতটা সম্ভব? তা নিয়ে প্রশ্ন রয়েছে খোদ ভবানীপুর এলাকার তৃণমূলের কর্মী মহলেই।

Spread the love

Check Also

Big Breaking: হুমায়ুনকে ওয়েসির ‘ফিলার,’ কী উত্তর দিলেন তৃণমূলের বিধায়ক

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় হুমায়ুনকে ওয়েসির ফোন! দল তাঁকে শো-কজ করেছে। তিনি সেই শো-কজের উত্তরও দিয়েছেন। তাতেও …

রাহুলের পাইলট প্রোজেক্ট, মুর্শিদাবাদ কংগ্রেসে আধিপত্য হারাতে পারেন অধীর

দেবক বন্দ্যোপাধ্যায় পশ্চিমবঙ্গ নিয়ে রাহুল গান্ধির নতুন উদ্যোগে মুর্শিদাবাদের কংগ্রেস রাজনীতিতে খর্ব হতে পারে অধীর …

আমি আসছি! নাম না করে শুভেন্দুকে শাসালেন আনিসুর

চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক: নাম না করে বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারিকে শাসালেন আনিসুর রহমান। একদা …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *