প্রসেনজিৎ মাহাতো:
ইন্দোনেশিয়া ওপেনের ফাইনালে পি ভি সিন্ধু। নাওমি ওকুহারার পর এবার সেমিফাইনালে চীনের চেন ইউফেইকে হারিয়ে দিলেন ২১–১৯, ২১–১০ ফলে। ৪৬ মিনিট লড়াইয়ের পর শেষ হাসি হাসলেন সিন্ধু।
এই মরশুমে প্রথমবার কোনও টুর্নামেন্টের ফাইনালে উঠলেন সিন্ধু। এ বছর এর আগে সিঙ্গাপুর ওপেন এবং ইন্ডিয়ান ওপেনের সেমিফাইনালে পৌঁছেছিলেন তিনি। রবিবার ফাইনালে চতুর্থ বাছাই জাপানের ইয়ামাগুচির বিরুদ্ধে লড়বেন অলিম্পিকে রুপোজয়ী ভারতীয় এই ব্যাডমিন্টন তারকা।
সিন্ধুর যেখানে এই মরশুম ভাল কাটছিল না, সেখানে চীনের চেন ইউফেই ছিলেন দারুণ ছন্দে। অস্ট্রেলিয়া ওপেন, সুইস ওপেন এবং অল ইংল্যান্ড চ্যাম্পিয়ন হয়েছিলেন। শনিবার প্রথম গেমে সিন্ধু শুরু করেছিলেন একটু ধীর গতিতে। বিরতির সময় ১১–১০ এগিয়ে ছিলেন চেন ইউফেই। বিরতির পর ১৫–১২ পয়েন্টে এগিয়ে যান ইউফেই। কিন্তু এর পর সিন্ধু ফিরে আসেন। ১৮–১৮ করেন। তার পর ১৯–১৯ হয়। শেষ পর্যন্ত ২১–১৯ প্রথম গেম জেতেন সিন্ধু। দ্বিতীয় গেমের শুরুতেও ৪–০ এগিয়ে গিয়েছিলেন চেন ইউফেই। তবে সিন্ধু এর পর চাপ বাড়ান। একসময় ১৬–৮ এগিয়ে যান হায়দরাবাদি। শেষ পর্যন্ত দ্বিতীয় গেম জিতে নেন ২১–১০–এ।
সিন্ধু আর ইউফেই এই নিয়ে আটবার মুখোমুখি হলেন। তার মধ্যে পাঁচবার জিতলেন ভারতীয় ব্যাডমিন্টন তারকা। রবিবার ফাইনাল। প্রতিপক্ষ ইয়ামাগুচি। যাঁর সঙ্গে মুখোমুখি লড়াইয়েও সিন্ধু ১০–৪ এগিয়ে। শেষ চার সাক্ষাতে এই জাপানিকে হারিয়েছেন তিনি।
ফাইনালে ওঠার পর সিন্ধু বলেন, ‘বছরের প্রথম ফাইনাল। আশা করি, সুযোগটা হাতছাড়া করব না। সোনা জিততে চাই।’ এই মরশুমে যে এখনও পর্যন্ত ট্রফি অধরা, এটা ভেবে কি অস্বস্তি হয়নি? সিন্ধুর জবাব, ‘চড়াই–উতরাই পথ জীবনের অঙ্গ। খেলারও অঙ্গ। ভুল থেকে শিক্ষা নিয়েছি। তাই আরও শক্তিশালী হয়ে ফিরে আসতে পেরেছি।’
প্রথম গেমের পর আনন্দে ভেসে গিয়েছিলেন । কারণ কী? সিন্ধু বলেন, ‘প্রথম গেমের শেষ দিকে পয়েন্ট তুলে নেওয়া দরকার ছিল। একটা কথা বলতে পারি, প্রথম গেমে যখন পিছিয়ে ছিলাম তখনও মনে হয়নি হেরে যাব। ১৯–১৯ হওয়ার পর মরিয়া ছিলাম পয়েন্ট ছিনিয়ে নেওয়ার জন্য।’
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news