চিন্ময় ভট্টাচার্য
এর আগেও তিনি রাজ্যে এসেছিলেন। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে নবান্নে বৈঠকও করেছিলেন। সেই সময় তেলেঙ্গানা রাষ্ট্রীয় সমিতির শীর্ষনেতা কে চন্দ্রশেখর রাওকে ফেডারেল ফ্রন্টের প্রাণভোমরা বলেই রাজ্যবাসীর কাছে পরিচয় করানোর চেষ্টা করেছিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কিন্তু, তার পর জল অনেকদূর গড়িয়েছে। চন্দ্রশেখর মধ্যে বেসুরো বেজেছেন। আঞ্চলিক রাজনীতির বাধ্যবাধকতায় কংগ্রেসের সঙ্গে দূরত্ব বাড়াতে বিজেপির কাছাকাছিও এসেছিলেন। যাতে লাটে যেতে বসেছিল ফেডারেল ফ্রন্ট্রের স্বপ্ন।
কিন্তু, সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটচিত্র সেই রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বেশ বদল ঘটিয়েছে। কংগ্রেসকে নাকানিচোবানি খাইয়ে তেলেঙ্গানার কুর্সিতে ফের বসেছেন চন্দ্রশেখর রাও। শর্তাধীন হাত বাড়িয়েও চন্দ্রর নাগাল পায়নি বিজেপিও। এই পরিস্থিতিতে কংগ্রেসের অধীনে জোটে যোগ দিতে নারাজ মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় সোমবার ফের মুখোমুখি হচ্ছেন কেসিআরের। তবে, এবার তিনি সতর্ক। কারণ, সুযোগ পেলেই চন্দ্রর মোদি ঘনিষ্ঠতা থেকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় শিক্ষা নিয়েছেন বলেই তৃণমূল সূত্রে খবর। বিশেষ করে বাংলায় বৈঠক শেষে দিল্লিতেই যাবেন চন্দ্র। পূর্ব এবং দক্ষিণ ভারতের রাজনৈতিক হাত ধরাধরি দিল্লির উত্তুরে হাওয়া বয়ে যাওয়ার পরও টিকে থাকে কি না, সেদিকেও তাই নজর থাকবে তৃণমূল সুপ্রিমোর। রাজ্যে আসার আগে চন্দ্রও ঘুরে আসবেন দুই অবিজেপি এবং অকংগ্রেসি রাজ্য অন্ধ্রপ্রদেশ, ওড়িশায়। সেখান থেকে কী বার্তা বাংলায় পৌঁছয়, সেদিকেও সতর্ক চোখ থাকবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের। বিশেষ করে কংগ্রেস ঘনিষ্ঠ অন্ধ্রপ্রদেশের তেলুগু দেশম পার্টির প্রধান চন্দ্রবাবু নাইডুর সঙ্গে সূসম্পর্ক রয়েছে তৃণমূল সুপ্রিমোর। যাঁর সঙ্গে চন্দ্রশেখর রাওয়ের বৈরিতাও কেসিআরের ব্যাপারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সতর্কতার অন্যতম কারণ।.
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news