নিজস্ব সংবাদদাতাঃ
পাঁশকুড়া: কংসাবতীর জলে বানভাসি পাঁশকুড়ার অসংখ্য মানুষ। একদিকে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, পশ্চিম মেদিনীপুর ও ঝাড়গ্রামে ক্রমাগত বৃষ্টি চলছে, অন্য দিকে সেচ বাঁধের ছাড়া জলে কংসাবতী নদী বিপদসীমার ওপর বইছে। কংসাবতীর এই বাড়তি জলে বর্তমানে বানভাসি পাঁশকুড়া পৌরসভা ও সংলগ্ন পঞ্চায়েত এলাকার একাধিক অঞ্চল। বেঘর কয়েকশ পরিবার। বন্যার জলে তাদের ঘরবাড়ি তলিয়ে গেলেও মেলেনি ত্রাণ। স্বভাবতই ক্ষুব্ধ মানুষ। তারা আশ্রয় নিয়েছেন নদীর পাড়ে। কোনরকমে ত্রিপলের তাবু খাটিয়ে দিন গুজরান করছেন পাঁশকুড়া পৌরসভার ৪ নম্বর ওয়ার্ডের দক্ষিণ গোপালপুরে বাহান্নটি পরিবার। কংসাবতীর জল বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে পাঁশকুড়া পৌরসভা ৪ নং ওয়ার্ড সহ পাঁশকুড়া ব্লকের বেশ কিছু এলাকা প্লাবিত হয় আজ। গোবিন্দ নগর, জয়কৃষ্ণপুর, মাইসরা, ডোমঘাট এলাকায় চাষের জমি প্লাবিত হয়েছে। পৌর-বাসিন্দাদের অভিযোগ পাঁশকুড়া পৌরসভার তরফ থেকে কোন রকম সহযোগিতা পাওয়া যায়নি। এলাকা পরিদর্শন করেই দায় সেরেছেন পৌরসভার কর্তাব্যাক্তিরা। পাঁশকুড়া পৌরসভার পৌরপ্রধান নন্দকুমার মিশ্র অবশ্য বলেন ‘এখনও কংসাবতী নদীর বাঁধ ভেঙ্গে কোথাও জল ঢোকেনি। অতিরক্ত বৃষ্টির ফলে বাঁকুড়া পুরুলিয়া ও ঝাড়গ্রামের জল এসে কংসাবতী জলস্তর বাড়িয়ে দিচ্ছে। পৌরসভার তরফ থেকে কাউন্সিলর গিয়ে এলাকা পরিদর্শন করেছেন। আমরা একটিও বানভাসি মানুষ যাতে বিপদে না পড়ে সেদিকে নজর রেখেছি। ত্রাণের বিষয়ে সমস্ত রকম সাহায্য করব।’ অপর দিকে গতরাতেই পাঁশকুড়া পৌরসভার রানিহাটি, গড়পুরুষোত্তমপুর ও পাঁশকুড়া ব্লকের উদয়পুরের নদীবাঁধে একাধিক যায়গায় ফাটল দেখা দেয়। যেখান থেকে গ্রামে জল ঢুকছে। যা নিয়ে বিপদের আশঙ্কা করছেন এলাকার বাসিন্দারা। এ বিষয়ে পাঁশকুড়ার এসডিও (ইরিগেশন) অভিনব মজুমদার বলেন ‘গত রাতেই কংসাবতী নদীর বাঁধে কিছু জায়গায় ফাটলের খবর জানতে পারি। জানা মাত্র ব্যবস্থা নিয়েছি। গতরাত থেকেই তা মেরামতির কাজ শুরু করেছি। বালির বস্তা দিয়ে ফাটলগুলিকে বন্ধ করে দেওয়া হচ্ছে। কোথাও নতুন করে ফাটল তৈরি হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে নজর রেখে চলেছি।’
বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিয়ো পেতে চ্যানেল হিন্দুস্তানের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
https://www.youtube.com/channelhindustan
https://www.facebook.com/channelhindustan
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news