মধ্যপ্রদেশ হাতছাড়া হতে পারে। রাজস্থানেও পিঁড়ের তলায় সুপুরি! যে কোনও সময় হতে পারে পদস্খলন।
গত কয়েকটি বিধানসভা নির্বাচনে সাময়িক স্বস্তি পাওয়া কংগ্রেস আবার দাঁড়িয়ে পড়েছে খাদের কিনারে।
রাহুলকে সভাপতিত্ব থেকে সরিয়ে আবার নিজের কাঁধে দায়িত্ব তুলে নিয়েছেন সনিয়া। শেষ পর্যন্ত প্রিয়ঙ্কাকে রাজ্যসভায় আনার সিদ্ধান্ত নিয়ে সংসদীয় রাজনীতিতে ‘বিটিয়ার’ অভিষেকের কথাও ভেবেছেন তিনি। শুরুতেই ধাক্কা। ইয়েস ব্যঙ্ক কাণ্ডে নাম জড়িয়েছে প্রিয়ঙ্কার। ১০ জনপথের অন্দরে আবার গুমোট।
এ হেন সময়ে প্রধানমন্ত্রীর কাছ থেকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা পেয়ে আপ্লুত হলেন লেখক, রাজনীতিক শশী থরুর। মালয়লম, অর্থাৎ থরুরের মাতৃভাষা, মালয়ালামে মোদির কাছ থেকে শুভেচ্ছা বার্তা পেয়ে নিজের মুগ্ধতা গোপন করলেন না শশী। নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে শশী লিখেছেন, মোদিজি তাঁর হৃদয় স্পর্শ করেছেন। বেশ বড় একটি টুইটে মোদি লিখেছেন “আমি চাই আপনার দীর্ঘদিনের জনজীবনের অভিজ্ঞতা এবং আপনার পড়শোনা দেশ গড়ার কাজে লাগুক।”
থরুর, মোদির মালয়ালমে লেখা বার্তাটি নিজেই ইংরেজিতে অনুবাদ করে টুইট করেছেন।
এই বার্তার সঙ্গে সঙ্গে রাজনৈতিক মহলে নতুন জল্পনার সূত্রপাত হয়েছে। মধ্যপ্রদেশে যেমন সিন্ধিয়া,তেমনই কেরলের রাজনীতিতে কি শশী থরুর কে পাশে পেতে চাইছে মোদি-শাহ জুটি? মোদি লিখেছেন, থরুরের অভিজ্ঞতা ও পড়শোনা যেন দেশ গড়ার কাজে লাগে, এই শুভ কামনা তিনি করছেন। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের কেউ কেউ বলছেন, থরুর কংগ্রেসে থেকে দেশ গড়ার কাজ করবেন, এমনটা নিশ্চয়ই মোদি আশা করছেন না। একই সঙ্গে মোদির এই বার্তা এবং তার সঙ্গে থরুরের আপ্লুত, মুগ্ধতাপূর্ণ জবাব, দুটি বিষয়কে নেহাতই সৌজন্য বলে দেখতে রাজি নয় অনেকেই। এমনিতেই থরুরের রাজনৈতিক যে মান, তাঁর পড়াশোনার যে উচ্চতা, তা কংগ্রেসের আর কোনও সাংসদের আছে কিনা তা নিয়ে প্রশ্ন আছে। তার ওপর কংগ্রেসের মত একটা দলে সাংসদ হিসেবে তিনি থাকা সত্ত্বেও বিরোধী দলনেতা হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে অধীর চৌধুরীকে। মুখে না বললেও রাহুল বা সনিয়ার এমন সিদ্ধান্ত যে তিনি ভাল চোখে দেখেন নি, তা তাঁর সতীর্থরাই অনেকে মনে করেন।
এমতাবস্থায় মোদির এই ‘ছুঁয়ে যাওয়া’ বার্তা কেরল রাজনীতিতে কোনও নতুন ফুল ফোটাতে পারে কিনা সেই দিকে নজর রয়েছে রাজনীতির পর্যবেক্ষকদের।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news