চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
করোনা ভাইরাসের (Coronavirus) সংক্রমনের আবহে বিরাম নেই তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে। বুধবার বর্ধমানের পর বৃহস্পতিবার তৃণমূল যুব তৃনমূলের (TMC) সংঘর্ষের ঘটনা ঘটল বাসন্তীতে। গোসাবার বিধায়ক জয়ন্ত নস্কর বনাম দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল যুব সভাপতি ক্যানিং পূর্বের বিধায়ক শওকত মোল্লার গোষ্ঠী দ্বন্দ্বে প্রাণ হারিয়েছেন একজন। গুরুতর আহত হয়েছেন ছয় জন তৃণমূল কর্মী। অবশ্য দক্ষিণ ২৪ পরগনা এই দুই দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দ্বন্দ্বের ঘটনা কোনও নতুন বিষয় নয়। এর আগেও একাধিকবার পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ পাল্টা অভিযোগ করেছেন দুই বিধায়ক। স্থানীয় স্তরের সংঘর্ষের ঘটনায় প্রাণ হারিয়েছেন ও বহু মানুষ। তাতেও থেমে থাকেনি তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব।
গতকাল বর্ধমান শহরে শাসকদলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে সংঘর্ষে মৃত্যু হয় এক যুবকের। বুধবার সন্ধ্যায় গোলমাল শুরু হয় শহরের লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায়। এলাকা দখলের লড়াইয়ে মৃত্যু হয় বছর পঁচিশের যুবক গৌতম দাসের। জানা গিয়েছে, সংঘর্ষে ওই যুবকের মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়তেই উত্তেজিত জনতা স্থানীয় তৃণমূল নেতা বিকাশ মণ্ডলের বাড়িতে ব্যাপক ভাঙচুর চালায়। খবর পেয়ে ডিএসপি (হেড কোয়ার্টার) শৌভিক পাত্র ও বর্ধমান থানার আইসি পিন্টু সাহা বিশাল পুলিস বাহিনী নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
বেশ কিছুদিন ধরেই লক্ষ্মীপুর মাঠ এলাকায় শাসক দলের দুই গোষ্ঠীর মধ্যে বিরোধ চলছিল। হামেশাই দু’পক্ষের মধ্যে গোলমাল হয়। এলাকার কর্তৃত্ব কোন গোষ্ঠীর হাতে থাকবে তা নিয়েই মূলত বিবাদ। বুধবার বিকেলে একটি বাইকে ধাক্কা মারাকে কেন্দ্র করে দু’পক্ষের মধ্যে বচসা শুরু হয়। পরে হাতাহাতি লেগে যায়। প্রসঙ্গত, পরপর দুদিন তৃণমূলের গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে দুই জেলায় দুজন মানুষের মৃত্যু হয়েছে। পুলিশ প্রশাসন নিজেদের মতো করে এই ঘটনার বিবরণ দিয়েছেন। কিন্তু দুটি ক্ষেত্রে প্রাণহানির ঘটনায় পরিবেশ থমথমে রয়েছে বাসন্তী ও বর্ধমানে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news