চ্যানেল হিন্দুস্থান ডেস্কঃ পঞ্চায়েতের মনোনয়ন পর্ব ঘিরে উত্তাল ভাঙড়। বোমাবাজি। গোলা-গুলি। রক্তারক্তি। কিছুই বাদ যায়নি। গোটা ভাঙড় জুড়ে এক অগ্নিগর্ভ পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ইতিমধ্যেই বিষয়টি নিয়ে মুখ খুলেছেন। সরাসরি কোনও রাজনৈতিক দলের নাম না করলেও, ভাঙড়ে নতুন জিতে আসা বিরোধীদের দিকেই আঙুল তুলেছেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, বিরোধীরাই সেখানে গন্ডগোল পাকানো শুরু করেছে। পরে তৃণমূলের তরফে টুইট করে আইএসএফ-এর নাম উল্লেখ করে নিশানা করা হয়েছে। আর এবার ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকীর গ্রেফতারির দাবি তুললেন তৃণমূল নেতা আরাবুল ইসলামের ছেলে হাকিমুল ইসলাম। হাকিমুলের দাবি, গন্ডগোলের মধ্যে দু’জন তৃণমূল সমর্থক মারা গিয়েছে। বাইরে থেকে দুষ্কৃতীরা এসে ‘তাণ্ডবলীলা’ চালিয়েছে বলে দাবি তাঁর। আরাবুলের ছেলের সন্দেহ, নওশাদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে এই ঝামেলা হয়েছে এবং সেই কারণে নওশাদের গ্রেফতারির দাবি তুলছেন তিনি।বৃহস্পতিবার রাতে হাকিমুল বললেন, ‘আপনারা হয়ত খবর পুরোপুরি পাননি। তৃণমূলের দু’জন সমর্থক মারা গিয়েছে। যেভাবে তাণ্ডবলীলা চালিয়েছে… পুলিশের উদ্দেশেও গুলি চালিয়েছে, বোমা ছুড়েছে। নওশাদ সিদ্দিকীর নেতৃত্বে এই গন্ডগোল-ঝামেলা বলে আমরা মনে করছি। বাইরে থেকে সমাজবিরোধীদের এনে হাজার হাজার বোমা বর্ষণ, গুলি বর্ষণ করা হয়েছে। আমরা এর তীব্র ধিক্কার জানাচ্ছি। আমরা আগামী দিনে এর বিরুদ্ধে যতদূর যাওয়ার যাব। আমি চাইব অবিলম্বে নওশাদ সিদ্দিকী সহ বহিরাগত যে সমাজবিরোধীরা এসেছে, তাদের গ্রেফতার করতে হবে।’ এদিকে বৃহস্পতিবার দিনভর ভাঙড় অশান্ত হওয়ার পর বেলা শেষে রাজ্য নির্বাচন কমিশনের অফিসে ছুটেছিলেন। কমিশনের অফিসের সামনে ধরনায় বসে পড়েছিলেন তিনি।
সেখানে নওশাদ সাফ জানিয়ে দিয়েছেন, তিনি ঝামেলা-অশান্তির পক্ষপাতী নন। নওশাদের বক্তব্য, তাঁর দলের লোকেরা মার খেয়েছে, একজনের প্রাণ গিয়েছে, চাইলেই আইএসএফ ‘বদলা’ নিতে পারত। কিন্তু তেমন কিছু করা হয়নি বলেই দাবি নওশাদের। ভাঙড়ের আইএসএফ বিধায়ক জানিয়েছেন, বৃহস্পতিবার রাতেই দলের রাজ্য নেতৃত্ব একটি বৈঠকে বসবে। তারপরই দলের পরবর্তী পদক্ষেপের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news