চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
উপমুখ্যমন্ত্রী ও প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির পদ থেকে শচীন পাইলটকে (Sachin Pilot) সরিয়ে দিয়েছে এআইসিসি। তারপরে নিজের টুইটার অ্যাকাউন্ট থেকে ‘ইন্ডিয়ান ন্যাশনাল কংগ্রেস’ লেখাটি মুছে দিয়েছেন তিনি। দুই পর থেকে তার অপসারণের পর শচীন টুইট করে বলেছেন, “সত্য কো পরেশান কিয়া যা সকতা হ্যায় পরাজিত নেহি।” অর্থাৎ তাকে হয়তো সাময়িক দুশ্চিন্তায় ফেলা যাবে কিন্তু হারানো যাবে না বলেই চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন কংগ্রেস শীর্ষ নেতৃত্বকে। শচীন পাইলটের টুইটারে প্রতিক্রিয়ায় বিদ্রোহের আগুন আরও তীব্র হওয়ার আশঙ্কা করছেন জাতীয় রাজনীতির কারবারিরা।

অপসারণের পর যেভাবে কংগ্রেস মুখপাত্র রণদীপ সিং সূরজেওয়ালা ও রাজস্থানের মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট (Ashok Gehelot) তাঁকে আক্রমণ করেছেন তার জবাব দিতে তৈরী হচ্ছেন রাজেশ পাইলটের পুত্র। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে, বিজেপির (BJP) ষড়যন্ত্র মাফিক তিনি রাজস্থানের জনগণের দ্বারা নির্বাচিত কংগ্রেসের সরকারের পতন ঘটাতে চাইছেন। অথচ মুখ্যমন্ত্রী অশোক গেহলট এর সঙ্গে শচীন পাইলটের সংঘাতের ঘটনা কংগ্রেস নেতৃত্বের কাছে অজানা নয়। কোন কোন বিষয়ে তার সঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী সংঘাত হয়েছে তাও বিস্তারিত জানিয়েছিলেন রাহুল গাঁধী (Rahul Gandhi) সহ শীর্ষ নেতাদের। তা সত্ত্বেও প্রাক্তন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতির বিরুদ্ধে এআইসিসির (AICC) শীর্ষ নেতাদের আক্রমণাত্মক মনোভাব শচীন পাইলটকে বেশ বিব্রত করেছে। তাই শচীন পাইলট মোক্ষম সুযোগ এই এ বিষয়ে মুখ খুললেন বলে জানা গিয়েছে।
তবে বিজেপি শিবির থেকে বিষয়টির ওপর পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে বলেই রাজনৈতিক সূত্রে খবর। কারণ মধ্যপ্রদেশের সঙ্গে রাজস্থানের বেশ কিছু পার্থক্য রয়েছে। রাজস্থানে যেমন অশোক গেহলোটের পাশে ১০৭ জন বিধায়কের সমর্থন রয়েছে। মধ্যপ্রদেশের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কমল নাথের ক্ষেত্রে তেমনটা ছিল না। তাদের কাছে সমর্থন ছিল কাঁটার বিন্দুতে। সরকার গড়ার সংখ্যাছিল বিজেপির কাছে। এবং মধ্যপ্রদেশের বিকল্প হিসেবে শিবরাজ সিং চৌহান ছিলেন তাঁদের অন্যতম ট্রাম্প কার্ড। রাজস্থানে পরিস্থিতি তেমনটা নয়। সেখানে বিধায়ক সংখ্যা ৭৫। ফিগার থেকে ২৬ জন কম। রাজস্থানে প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বসুন্ধরা রাজে সিন্ধিয়া সঙ্গে রাজ্য বিজেপি নেতাদের সংঘাতের ঘটনা রাজ্য রাজনীতিতে সাধারণ বিষয়। তাই শচীন পাইলট শীর্ষ নেতৃত্বের বিরুদ্ধে মুখ খুললেও আপাতত বিষয়টির ওপর নজর রাখতে চাইছে বিজেপি। তাই এ প্রসঙ্গে মুখ খোলেনি কোনও বিজেপি নেতা।
ছবি সৌজন্যে : এএনআই
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news