নিজস্ব সংবাদদাতা:
এলেন, দেখলেন, বৈঠক করলেন, কিন্তু সাংবাদিক সম্মেলন করলেন একা নিজেই। মা,ছেলে রয়ে গেলেন ১০ জনপথের অন্তরালেই। কেন ? উত্তর এখনও অজানা। তবে দিল্লির কংগ্রেস মহলে জোর আলোচনা, বৈঠক মোটেও সৌহার্দ্যপূর্ণ ভাবে শেষ হয় নি। তাই যদি হতো তাহলে মমতাকে একা সাংবাদিকদের মুখোমুখি হতে হতো না। নিদেনপক্ষে রাহুল গাঁধী থাকতেন ঐ সাংবাদিক সম্মেলনে। সূত্রের খবর, তৃণমূল নেত্রীর ‘একের বিরুদ্ধে এক’ সূত্রকে পুরোপুরি সমর্থন করছেন সনিয়া গাঁধী । কংগ্রেস সভাপতিও খুব একটা গররাজি নন এই ফর্মুলায়। কিন্তু গোল বাধে তৃণমূল নেত্রীর নিজের রাজ্য নিয়েই। সূত্রের খবর, সনিয়া গাঁধীর উপস্থিতিতেই রাহুল বলেন যে, ২০১৯ এ বাংলা থেকে অন্তত ৬টা আসনে জোটের প্রার্থী হিসাবে কংগ্রেসের বিপক্ষে তৃণমূল যেন কোনও প্রার্থী না দেয়। প্রয়োজনে ত্রিপুরা বা ঝাড়খণ্ডে তৃনমূলের প্রার্থীকে সমর্থন করবে কংগ্রেস। পত্রপাঠ এই বোঝাপড়া উড়িয়ে দেন তৃণমূল নেত্রী। তাঁর বক্তব্য ছিল বাংলায় নিজের ক্ষমতায় একটা আসনেও জিততে পারবে না কংগ্রেস। বরং ত্রিপুরা বা ঝাড়খণ্ডে কংগ্রেস কে তারা সমর্থন করতে পারে। এরাজ্যে সর্বাধিক ২ টো আসন কংগ্রেস কে ছাড়া যেতে পারে। যেটা আবার মানতে চাইছিলেন না কংগ্রেস সভাপতি। পরিস্থিতি উত্তপ্ত হওয়ার আগেই হস্তক্ষেপ করেন সনিয়া গাঁধী । তবে তৃণমূল নেত্রী কংগ্রেস নেত্রী ও কংগ্রেস সভাপতিকে পরিস্কার জানান যে, পশ্চিমবঙ্গ ছাড়া ভারতের যেকোনও জায়গায়, যেখানে কংগ্রেস অপেক্ষাকৃত শক্তিশালী, সেখানে তৃণমূল কংগ্রেস কংগ্রেসকে নৈতিক সমর্থন দেবে। এরপর তৃণমূল নেত্রী সনিয়া গাঁধীকে ১৯ এর ব্রিগেড সমাবেশে আসার আমন্ত্রণ জানান। সূত্রের খবর, সনিয়া গাঁধী সেই আমন্ত্রণ স্বীকার করে জানান যে তাঁর বদলে রাহুল গাঁধী ঐ সভায় কংগ্রেসের প্রতিনিধিত্ব করবেন। অবশ্য তাঁর শরীর যদি পারমিট করে তাহলে তিনিও উপস্থিত থাকবেন। এরপর আর কথা বাড়াননি তৃণমূল নেত্রী। বাইরে বেড়িয়ে এসে একা একাই সাংবাদিক সম্মেলন করেন তিনি|
বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিয়ো পেতে চ্যানেল হিন্দুস্তানের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
https://www.youtube.com/channelhindustan
https://www.facebook.com/channelhindustan
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news