নীল বণিক :
রাজ্য রাজনীতিতে কী শুরু হল উলটপুরাণ! শুরু হল সোমেন মিত্রর হাত ধরে?
এতদিন রাজ্য কংগ্রেসকে ভাঙছিল তৃণমূল কংগ্রেস। এবার সোমেন মিত্রও পাল্টা
তৃণমূল কংগ্রেসকে ভাঙতে শুরু করলেন। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি ভাঙতে শুরু করেছেন বিজেপি, পিডিসিআই ও ইউডিএফকেও। বৃহস্পতিবার এই রাজনৈতিক দলগুলি থেকে থেকে প্রায় ২ হাজার নেতা-কর্মী যোগ দিলেন প্রদেশ কংগ্রেসে। তাঁদের প্রত্যেকের হাতে কংগ্রেসের পতাকা তুলে দেন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি সোমেন মিত্র। এদিন প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, “অনেক রাজনৈতিক দলই কংগ্রেসে যোগদানের আগ্রহ প্রকাশ করছেন। নিয়মিত তাদের সঙ্গে যোগাযোগ রাখছি আমি।” একই সঙ্গে সোমেন এদিন বলেছেন, ২০১৯ এর লোকসভা নির্বাচনে কংগ্রেস টিএমসির হাত ধরতে পারে, এই আশঙ্কায় অনেক তৃণমূলের নেতাই সিদ্ধান্ত নিতে পারছেন না। সোমেন আগেও বলেছেন, এদিনও বললেন, কংগ্রেসের প্রধান লক্ষ্য নিজের পায়ে দাঁড়ানো। সেই কাজটাই প্রদেশ কংগ্রেস করে চলেছে। প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি বলেন, যাঁরা এদিন কংগ্রেসে যোগ দিলেন তাঁদের হাত ধরে কংগ্রেস আরও শক্তিশালি হবে।
তৃণমূলের সংখ্যালঘু সেলের প্রায় ৫০ জন এদিন কংগ্রেসে যোগ দেন। তাঁদের নেতা শাকিল আনসারি বলেন, যে প্রত্যাশা নিয়ে রাজ্যে তৃণমূলের নেতৃত্বে পালাবদল ঘটেছিল তার কোনওটাই পূরণ হয়নি। উল্টে সন্ত্রাস কায়েম হয়েছে। সেকারনেই দলবদল বলে মন্তব্য তাঁর। এদিন যারা কংগ্রেসে যোগদান করলেন, তাদের মধ্যে সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের প্রতিনিধির সংখ্যা ছিল চোখে পড়ার মত। কংগ্রেসের অন্দরমহলের খবর সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের যে সকল মানুষ এতদিন তৃণমূলে ছিলেন কিন্তু এখন ‘অতিষ্ঠ’ হয়ে পড়েছেন তারা সোমেন মিত্রের ছাতার তলাতেই নিজেদের ঠিকানা খুঁজে নিতে চাইছেন। সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরীর দল পিডিসিআই এবং এরাজ্যে তাঁরই তত্ত্বাবধানে থাকা অসমের দল ইউডিএফ থেকেও যাঁরা এসেছেন, তাঁরাও একদা মমতার আগমার্কা বিরোধী সিদ্দিকুল্লাহর তৃণমূলে যোগ দেওয়া মেনে নিতে না পেরেই কংগ্রেসের পতাকা ধরাই শ্রেয় মনে করেছেন। ব্যক্তিগত আলাপচারিতায় একথা স্বীকারও করেছেন তাঁরা।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news