চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
বিহারের জয় নিশ্চিত হবেই বিজেপি (BJP) শীর্ষ নেতৃত্বের চোখ পশ্চিমবঙ্গে। বুধবার সন্ধ্যায় দিল্লিতে দলীয় কার্যালয়ের বিজয় উৎসব অনুষ্ঠানে বক্তৃতা করতে উঠে নাম না করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি (Narendra Modi) খোঁচা দিলেন তৃণমূলকে (TMC)। বললেন, “গণতন্ত্রে কেউ কেউ বিজেপির সঙ্গে না পেরে উঠে নেতাকর্মীদের হত্যা করছেন। তাঁরা ভাবছেন বিজেপি-কে এসব করে থামিয়ে দেওয়া যাবে। কিন্তু, দেওয়ালে লিখন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছে। পড়ে নিন।” প্রসঙ্গত, লোকসভা ভোটের আগে থেকে ধারাবাহিকভাবে পশ্চিমবঙ্গের বিভিন্ন প্রান্তে খুন হচ্ছেন বিজেপি কর্মীরা। এই ধারাবাহিকতায় খুন হয়েছেন হেমতাবাদের বিজেপি বিধায়ক দেবেন্দ্রনাথ রায়। রাজ্য বিজেপি নেতৃত্বের অভিযোগ, বিজেপি কর্মীদের খুন করে গাছে ঝুলিয়ে দিয়ে নিচুতলার কর্মীদের মধ্যে সন্ত্রাস কায়েম করতে চাইছে তৃণমূল। কেন্দ্রীয় নেতা মুকুল রায় ও কৈলাস বিজয়বর্গীয় মারফত এই অভিযোগ তুলেছেন স্বয়ং প্রধানমন্ত্রী। তাই পশ্চিমবঙ্গে ‘হাল্লা বোলে’র আগে প্রধানমন্ত্রী স্পষ্ট বার্তা দিয়ে রাখলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে।
তৃণমূল নেতৃত্ব আশা করেছিল, নীতিশ কুমারের (Nitish Kumar) ১৫ বছরের শাসনের ফলে প্রতিষ্ঠান বিরোধী হাওয়ায় ধাক্কা খেতে পারে বিজেপি নেতৃত্বাধীন এনডিএ জোট। অপরদিকে কংগ্রেস, আরজেডি ও বামেদের নিয়ে গঠিত মহাগঠবন্ধন সহজ জয় পেয়ে যাবে। কিন্তু, আরজেডি নেতা তথা লালুপ্রসাদ যাদবের ছোট ছেলে তেজস্বী যাদবের নেতৃত্বাধীন মহাগঠবন্ধন ভালো লড়াই দিলেও ক্ষমতা দখলের কিছু আগেই থেমে যেতে হয়েছে তাদের। আর এখানেই ধাক্কা খেয়েছে তৃণমূল নেতৃত্বের মনোভাব। এদিন সেই মনোবলেই আবারও আঘাত হেনেছেন নরেন্দ্র মোদি।
বিহারে জয়ে গন্ধ পেতেই মঙ্গলবার রাত থেকে দিল্লিতে বিজেপির সদর দপ্তরে অকাল দিপাবলীর আসর। ঘনঘন উঠেছে ‘মোদি হ্যায় তো মুমকিন হ্যায়’ স্লোগান। এদিন উপস্থিত নেতা কর্মীদের সামনে বক্তব্য রাখতে উঠে বিহার-জয়ের সমস্ত কৃতিত্ব সভাপতি জে পি নাড্ডাকেই দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। তিনি বলেন, “নাড্ডার রণনীতির জন্য বিহারে এই ফলাফল সম্ভব হয়েছে। বিজেপির উন্নয়নকার্যের পাশেই দাঁড়িয়েছে বিহারের যুবশক্তি ও মহিলারা। তাঁরা সবকা সাথ, সবকা বিকাশেই আস্থা রেখেছেন।”
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news