নীল রায়। এবার কি বড়সড় রদবদল রাজ্য মন্ত্রিসভায়? লোকসভা ভোটের ফলাফলের পর এমনই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজ্য প্রশাসনিক মহলে। প্রশ্ন উঠছে তৃণমূলের অন্দরমহল। কারণ এবারের ভোটে তৃণমূল কংগ্রেস ১২৯ টি বিধানসভায় পিছিয়ে রয়েছে। তার মধ্যে রয়েছেন রাজ্যের ১৪ জন মন্ত্রী। বিষ্ণুপুরের পরাজিত তৃণমূল প্রার্থী তথা রাজ্যের মন্ত্রী শ্যামল সাঁতরা নিজের কেন্দ্র থেকেই ৯০৯৯ ভোটে হেরে গিয়েছেন। এছাড়াও। রাসবিহারী থেকে শোভনদেব চট্টোপাধ্যায় ৫৫৫৬ ভোটে, উত্তর হাওড়ায় লক্ষ্মীরতন শুক্লা ২৪৯১, শ্যামপুকুর শশী পাঁজা ২১০০, চাকদহ মন্ত্রীর অপনা ঘোষ ২৯৯৮৭, নাটাবাড়ি থেকে রবীন্দ্রনাথ ঘোষ ১৮৫৫২, মাথাভাঙ্গা থেকে বিনয় কৃষ্ণ বর্মন ৭৪৯৪, জ্যোতিপ্রিয় মল্লিক হাবরা কেন্দ্র থেকে ১৯৪৩২, বিধান নগরের সুজিত বসু ১৮৫৭৫, সপ্তগ্রাম থেকে তপন দাশগুপ্ত ২১৫৬৩, ডাবগ্রাম ফুলবাড়ি থেকে গৌতম দেব ৯০০০০, বাচ্চু হাসদা তপন থেকে ২৩,১৯৩, ও মলয় ঘটক আসানসোল উত্তর থেকে ২০১৩৪ ভোটে পিছিয় । এই ১৪জন মন্ত্রী ছাড়াও রাজ্যের পূর্তমন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের দায়িত্বে থাকা জেলাগুলিতে ভরাডুবি হয়েছে তৃণমূলের। পর্যবেক্ষক হিসেবে অরূপের হাতে থাকা উত্তরবঙ্গের এক ঝাঁক আসন ছাড়াও বর্ধমান ও হুগলি জেলার বেশিরভাগ আসনেই ফুটেছে পদ্ম। তাই ওই ১৪ জন মন্ত্রীর ঘাড়ে কোপ পড়লে, অরূপ বিশ্বাসের ঘাড়ে কোপ পড়াটাই স্বাভাবিক বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। ভোটের মাসখানেক আগেই রাজ্য মন্ত্রিসভায় রদবদল করে চাকদহের রত্না ঘোষকে মন্ত্রী করেছিলেন মমতা। কিন্তু সেই রত্নার বিধানসভা কেন্দ্রে প্রায় ৩০ হাজার ভোটে হেরে যাওয়ায় রানাঘাট লোকসভা হাতছাড়া হয়েছে তৃণমূলের। একই অবস্থা ওই সময় মন্ত্রিসভায় যোগদান করা সুজিত বোসের। তবে একই সময় দমদম লোকসভার অধীন বরানগর বিধানসভার থেকে বর্ষিয়ান নেতা তাপস রায়কে মন্ত্রী করেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। মান রক্ষা করে তিনি সৌগত রায়কে জেতাতে বরানগর কেন্দ্র থেকে সাড়ে ১৩ হাজার ভোটের যোগদান দিয়েছেন। কিন্তু রদবদল যে হচ্ছে তা জানা যাচ্ছে তৃণমূল হাতে অন্দরমহল থেকেই। অপেক্ষা শুধু ঘোষণার।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news