চ্যানেল হিন্দুস্থান, নিউজ ডেস্ক-
সময় বদলেছে, তবে মানসিকতা এখনও বদল ঘটেনি। ভারতীয় ক্রিকেটে (Indian Cricket) বাংলার (Bengal) প্রতি অবিচারের ধারা এখনও বজায় রয়েছে, বলে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন বাংলার হেড কোচ লক্ষ্মী রতন শুক্লা (Laxmi Ratan Shukla)।
জাতীয় নির্বাচকদের দিকে আঙুল তুলে তার হতাশা প্রকাশ করেন। চলতি ইরানি ট্রফির ফাইনালে (Irani Trophy Final) অবশিষ্ট ভারতের প্রথম একাদশে (Rest Of India) জায়গা পাননি সুদীপ ঘরামি (Sudip Kumar Gharami) ও আকাশ দীপ (Akash Deep)। সেটাই মেনে নিতে পারছেন না বাংলার প্রাক্তন অধিনায়ক ও বর্তমান কোচ।
১ মার্চ থেকে মধ্যপ্রদেশের বিরুদ্ধে শুরু হয়েছে ইরানি ট্রফির খেলা। প্রথম একাদশে অভিমন্যু ঈশ্বরণ (Abhimanyu Easwaran) ও মুকেশ কুমার (Mukesh Kumar) সুযোগ পেলেও, সুদীপ ও আকাশকে রাখা হয়নি একাদশে। সেই জায়গায় সৌরভ কুমার, উপেদ্র যাদব, যশ ধুল ও বাবা অপরাজিতকে প্রথম একাদশে জায়গা দেওয়া হয়েছে। অথচ সদ্য সমাপ্ত রঞ্জি ট্রফিতে বাংলাকে ফাইনালে নিয়ে যাওয়ার নেপথ্যে বড় ভূমিকা নিয়েছিলেন সুদীপ। ১০ ম্যাচে তার ব্যাট থেকে এসেছিল ৮০৩ রান, সঙ্গে ছিল ৩টি শতরান ও ৫টি অর্ধ শতরান। অথচ এহেন সুদীপকে দলেই রাখা হল না।
অন্যদিকে আকাশও বঞ্চনার শিকার হলেন। গত রঞ্জি মরসুমে ১০ ম্যাচে ৪১টি উইকেট নিয়েছিলেন বঙ্গ পেসার। এরমধ্যে তিনবার এক ইনিংসে পাঁচ উইকেট নেওয়ার সঙ্গে তিনটি ম্যাচে সেরার পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। আকাশ বড় মঞ্চ থেকে ছিটকে গেলেন। তার জায়গায় খেলছেন নভদীপ সাইনি। দিল্লির এই ফাস্ট বোলার এবার একটিও ম্যাচ খেলেননি। তবুও ইরানি ট্রফির ম্যাচে সুযোগ পেয়েছেন নভদীপ।
নিজের ক্রিকেট কেরিয়ারে এভাবে একাধিকবার সাক্ষী থেকেছেন লক্ষ্মী। ২০১২ সালে বিজয় হাজারে ট্রফি নিজের দমে অলরাউন্ড পারফরম্যান্স করে মুম্বইকে ফাইনালে হারিয়েছিলেন। ৩৮ রানে ৪ উইকেট নেওয়ার পাশাপাশি ৯০ বলে ১০৬ রানে অপরাজিত ছিলেন লক্ষ্মী। সেই বছর বিসিসিআই থেকে সেরা অলরাউন্ডার পুরস্কার পেয়েছিলেন তিনি। তবুও তার জন্য ফের একবার জাতীয় দলের দরজা খোলেনি, আর এবার সেই ব্রাত্যদের তালিকায় নাম লেখালেন সুদীপ ও আকাশ।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news