চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।
চিনের পর করোনা ভাইরাসে (Cooronavirus) সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত দেশ ইতালি (Itali)। সে দেশে এমন মড়ক লেগেছে যে উজার হয়ে যাচ্ছে সব। চিকিৎসকদের চিকিৎসা পরিষেবা দিতে হচ্ছে বেছে বেছে। মৃতদেহ পর্যন্ত ফেলার জায়গা নেই এখন সেখানে। এই ইতালিরই একটা ছোট্ট শহর ভো ইউগানেও। সেই শহরে মানুষ ওড়াচ্ছে খুশির পতাকা। গত এক সপ্তাহে করোনাতে এই শহরে একজনও আক্রান্ত হন নি। অথচ করোনাতে ইতালির প্রথম মৃত্যু হয়েছিল এই শহরেই।
২১ শে ফেব্রুয়ারি ছিল সেটা। প্রচণ্ড ঠান্ডা আর তুমুল ভয়ে হৃদস্পন্দন স্তব্ধ হয়ে যেতে বসেছিল শহরের মানুষদের। তাঁদের দেশে, তাঁদের শহরে যে এমনটা হতে পারে ভাবতেও পারেননি তাঁরা। কিন্তু বিপর্যয় যখনই এল শক্ত হাতে হাল ধরল প্রশাসন। সঙ্গে সঙ্গে তালা বন্ধ করে দেওয়া হল শহর। এখানকার ৩,৩০০ জন বাসিন্দার সবাইকে করোনার টেস্ট করানো হল। দেখা গেল বাসিন্দাদের তিন শতাংশ মারণ রোগে আক্রান্ত। অথচ এঁদের রোগের কোনও লক্ষ্মণই ছিল না। শিকাগো বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রোমার্কেট নামে একটি ব্লগের বক্তব্য অনুযায়ী দুই সপ্তাহ শহর তালাবন্দী রেখে আক্রান্তদের কোয়ারানটাইনে পাঠানোর পর দেখা গেল .২৫ শতাংশ কমে গিয়েছে রোগ।
ইতালির এক বিশ্ববিদ্যালয়ের মাইক্রোবায়োলজিস্ট অন্দ্রে ক্রিস্তানি বলেছেন এর থেকে একটা সিদ্ধান্তেই আসা যায় যে সমস্ত আক্রান্ত এবং সন্দেহজনকদের আলাদা করে রাখতে পারলে সংক্রমণের সম্ভাবনা অনেকটাই কমে যায়। ঠিক একই কথা বারবার বলে চলেছে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা। প্রশাসনের কাজ সমস্ত আক্রান্ত এবং সন্দেহভাজনদের বারবার টেস্ট করে যাওয়া। চোখ বন্ধ করে এই যুদ্ধটা কোনওমতেই জেতা যাবে না। প্রশাসন এবং সাধারণ মানুষকে সর্বোচ্চ সতর্কতায় থাকতে হবে।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news