ঈষাণিকা ভোরাই
জোড়া আদালতের জোড়া রায়। আর সেই জোড়া রায়ের ফলে দৃশ্যত আপ্লুত রাজ্য নির্বাচন কমিশন। সেই সঙ্গে রাজ্য সরকারও বটে। কিন্তু পঞ্চায়েত ভোট নিয়ে একযোগে কলকাতা ও দিল্লির দুই আদালতের রায়ের মাঝে একটা কাঁটা কিন্তু থেকেই গেল। ৩ জুলাই (সুপ্রিম কোর্টে পরবর্তী শুনানির দিন পর্যন্ত) ৩৪% আসনের (যেগুলো বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতা!) ফলাফল জানানো যাবে না। সুপ্রিম কোর্টের রায়ে বলা হয়েছে, ওই আসনগুলোতে বিজয়ী প্রার্থীদের শংসাপত্র দিতে পারবে না কমিশন। কাঁটা এখানেই। কারণ ইতিমধ্যেই বেশ কিছু জেলায় এমন প্রার্থীদের শংসাপত্র দেওয়ার কাজ শেষ করে ফেলেছেন জেলা শাসকরা। ফলে সেই শংসাপত্র ফেরত নেওয়া যাবে না। কিন্তু সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অনুযায়ী এইসব শংসাপত্রের এই মুহূর্তে আর কোনও মূল্য নেই। যদি কোর্ট ৩ জুলাই বা তার পরবর্তী সময়ে ওই শংসাপত্রের মান্যতা স্বীকার করে নেয় তাহলে অন্য কথা, নচেৎ যারা ইতিমধ্যেই শংসাপত্র পেয়ে গেছেন তারা আদালতের দ্বারস্থ হবেন; কারণ বিজয়ীর শংসাপত্র দিয়ে দেওয়ার পর তা আর ফেরত নেওয়া যায় না। যদিও এই সব বিজয়ী প্রার্থীদের প্রায় পুরোটাই রাজ্যের শাসক দলের ফলে চাপটা এখন তৃণমূল নেতৃত্বের অনেক বেশি। মুখ বাঁচাতে তৃণমূল মহাসচিব অবশ্য বলেছেন, ‘৩৪% আসনে বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জেতা প্রার্থীদের তালিকা সুপ্রীমকোর্ট বাতিল করেনি। ৩ জুলাই ফের শুনানি হবে সুতরাং এ নিয়ে বিরোধীদের চিৎকার করার কোনো কারণ নেই।’ তবে বিরোধীদের চিৎকারের কারণ থাকুক বা না থাকুক, বিনা প্রতিদ্বন্দ্বিতায় জয়ী হওয়া নিজের দলের প্রার্থীরা কিন্তু বিজয়ীর শংসাপত্র না পেলে যে চিৎকার করবে তা আটকানোর পরিকল্পনা এখন থেকেই করতে হবে পার্থ বাবুদের, এটা বলাই যায়
বিভিন্ন বিষয়ে ভিডিয়ো পেতে চ্যানেল হিন্দুস্তানের ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
https://www.youtube.com/channelhindustan
https://www.facebook.com/channelhindustan
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news