নিজস্ব সংবাদাতা :
সামনে লোকসভা নির্বাচন। সেই নির্বাচনে পুলওয়ামা হামলা নিয়ে মোদি যাতে কোনোভাবেই নিজে ফায়দা তুলতে না পারে, একজোট হয়ে সেই সিদ্ধান্ত নিল বিরোধীরা।
বুধবার দিল্লিতে সংসদের লাইব্রেরি বিল্ডিংয়ে ২১ টি বিরোধী দলের নেতারা বৈঠকে বসেন। এই বৈঠকের মূল উদ্দেশ্য ছিল লোকসভা নির্বাচনে, প্রতিটি দলের ন্যূনতম কর্মসূচি কী হবে তা ঠিক করা। কিন্তু গতকাল পাকিস্তানের বিরুদ্ধে বায়ুসেনার হামলার পর বিরোধীরাও আলোচনার বিষয় পাল্টে জাতীয় নিরাপত্তা নিয়ে সমালোচনা করে কেন্দ্রের বিরুদ্ধে আঙুল তোলেন। এ দিনের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, “নিরাপত্তারক্ষীরা প্রাণ হারাচ্ছে। আর সেটিকে নিয়ে মোদী, অমিত শাহরা রাজনীতি করছে। এটা মানা যায় না। আর যাই হোক শহীদদের রক্ত নিয়ে রাজনীতি করতে দেব না।” বিরোধীদের বৈঠকে আজ পাকিস্তানের আচরণেরও নিন্দা করা হয়েছে। পাকিস্তান যেভাবে আগ্রাসনের চেষ্টা করছে, তা মোটেই বরদাশ্ত করা যায় না বলে প্রস্তাবে উল্লেখ করা হয়।
তিন ঘণ্টা ধরে চলা এই বৈঠকে বিরোধীদের দাবি, প্রধানমন্ত্রী বিরোধীদের কোন গুরুত্ব না দিয়েই যাবতীয় সিদ্ধান্ত একা ঠিক করেন। এ প্রসঙ্গে কংগ্রেস সভাপতি রাহুল গাঁধী বলেন, “জাতীয় নিরাপত্তাকে সংকীর্ণ রাজনীতিতে পরিণত করা হয়েছে। সেনাকে নিয়ে প্রধানমন্ত্রী রাজনীতি করছেন।” কিন্তু এই বৈঠক নিয়ে সম্পূর্ণ উল্টো মত পোষণ করেন শরদ পাওয়ার। তিনি বলেন, “দেশের আবেগের কথাটিও মাথায় রাখতে হবে। প্রধানমন্ত্রী রাজনীতি করছেন লিখলে, উল্টো ফলও হতে পারে। পাকিস্তান উত্তাপ বাড়ালেও আমাদের করা উচিত নয়।” এ দিনের বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন রাহুল গাঁধী, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, চন্দ্রবাবু নাইডু, শরদ পাওয়ার, সীতারাম ইয়েচুরি, সোনিয়া গাঁধী, মনমোহন সিংহ, শিবু সোরেন, মায়াবতীর প্রতিনিধি সতীশ মিশ্র।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news