চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো :
দু’দশকের আগের সময়। শহরের বাড়ি ভরে থাকত ছোট্ট পাখির কিচিরমিচির শব্দে। চড়াই। গল্প, উপন্যাসের, কবিতার পাতায় বসন্ত বাতাস এনে দেওয়া সেই পাখি এখন নগর সভ্যতার চাপে উধাও।
আনাচে কানাচে ইতি উতি তারা নেই। গাছ নেই। বাসা বাঁধার জায়গা নেই। খাবার নেই। নেই মানুষের সহানুভূতির চালচিত্র।
Nature forever society (NFS) এর প্রতিষ্ঠাতা তথা প্রেসিডেন্ট তথা সংরক্ষণবিদ মোহাম্মদ দিলওয়ার বলেন, “চড়াই এর সংখ্যা কমছে। 2000 সালের প্রথমে দেখা পাওয়া গেলেও আর দেখা যায় না। এদের বাঁচাতে সংরক্ষণের দরকার আছে। 15 বছর আগে শুরু হয় ওদের জীবন বাঁচানোর কাজ। শুরু করি একটি প্রকল্প। আমরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে ক্যাম্পেন করেছি। মানুষের কাছে গিয়ে দরবার করেছি। অনেক মানুষ সাড়া দিয়েছেন। অনেক কমিটি ও সংস্থা এগিয়ে এসেছে।” মুম্বই, নাসিক, দিল্লি, হায়দ্রাবাদ, বেঙ্গালুরু তে NFS কাজ করছে। চলছে জন সচেতনতার কাজ। NFS এর দিল্লি শাখার কর্মকর্তা নিন তানেজা বলেন, “কয়েক বছর আগে আমি স্কুলে পড়ানোর সময় দেখেছিলাম খুব কম শিশুই চড়াই পাখির নাম জানে।” এরপর তিনি বিভিন্ন স্কুলে প্রচার চালান। উধাও পাখি ফিরেছে অনেক জায়গায়। ওড়িশার rishikulya সি টারটেল সংরক্ষণ কমিটি চড়াই বাঁচাতে প্রচার অভিযান চালিয়েছে। 10 টি জেলায় শোনা যাচ্ছে কিচিরমিচির। এই কাজের স্থাপত্য যাঁর হাতে সেই মাগাথা বেহরা জানান, 2007 সালে শুরু হয়েছে পাখি বাঁচানোর কাজ। ছোটো ছোটো বাসা বানিয়েছি। পূর্ণবান্ধা গ্রামের মানুষদের বলেছি ডাবের খোল, ply wooder বক্স বানিয়ে সেখানে পাখিটির পরবর্তী প্রজন্মকে রক্ষা করতে।”
বিশাখাপত্তনমের তথ্যচিত্র নির্মাতা ভি অর্জুন কুমার এই বিষয়ে একটি তথ্যচিত্র তৈরি করেছেন। সহযোগী এক এনজিও। নাসিকে দিলওয়ার তৈরি করেছেন native plant research conservation centre। যেন রাজসূয় আয়োজন। চড়াই বেঁচে যাচ্ছে। ওড়িশার 10টি জেলা ও দেশের নানা প্রান্তে শোনা যাচ্ছে কিচিমিচির।
Channel Hindustan Channel Hindustan is Bengal’s popular online news portal which offers the latest news