Breaking News
Home / TRENDING / হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক ফেরাতে পিকের উদ্যোগ! কোচবিহার-নবদ্বীপকে হেরিটেজ শহর ঘোষণা রাজ্যের

হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক ফেরাতে পিকের উদ্যোগ! কোচবিহার-নবদ্বীপকে হেরিটেজ শহর ঘোষণা রাজ্যের

সূর্য সরকার ও নীল রায়।

তৃণমূলের হিন্দু ভোটব্যাঙ্ক ফেরাতে উদ্যোগী হচ্ছেন প্রশান্ত কিশোর! সম্প্রতি তাঁর সংস্থা আইপ্যাকের কার্যকলাপে তেমনই ইঙ্গিত মিলেছে বলে খবর। শুক্রবার পিকের সংস্থা আইপ্যাক নিয়ন্ত্রিত “আমার গর্ব মমতা” ফেসবুক পেজে জানানো হয়েছে কোচবিহার ও নবদ্বীপকে রাজ্যের প্রথম হেরিটেজ শহর হিসেবে ঘোষণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি সেই মর্মে রাজ্য হেরিটেজ কমিশন বিজ্ঞপ্তি জারি করেছে। ‘আমার গর্ব মমতা’ প্রশান্ত কিশোরের পেজে ইতিমধ্যেই সিলমোহর দেওয়া হয়েছে। প্রশ্ন উঠছে, তাহলে কি রাজ্যের হিন্দু ভোট ফেরাতেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে এই দুই হিন্দু ধর্মাবলম্বীদের ভাবাবেগের সঙ্গে যুক্ত শহরকে হেরিটেজ তকমা দিতে নির্দেশ দিয়েছেন প্রশান্ত কিশোর? কারণ সদ্য সমাপ্ত লোকসভা ভোটে রাজ্যে বিজেপি যে ৪০ শতাংশ ভোট বাড়িয়েছে, তার সিংহভাগই হিন্দু ভোটার। আর হিন্দু ভোটের এই একমুখীকরন রুখতে না পারলে যে ২০২১ সালে তৃণমূলকে ক্ষমতাচ্যুত হতে হবে, তা ইতিমধ্যে বুঝে গিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এমনটাই মত বাংলার রাজনৈতিক মহলের। তবে বিজেপি নেতা সায়ন্তন বসুর বক্তব্য, “এখন প্রশান্ত কিশোর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে উঠতে বললে উঠছেন, বসতে বললে বসছেন। চেষ্টা করা হচ্ছে বিধানসভা ভোটের আগে মমতার ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধারে। কিন্তু যতদিন যাবে মমতার ভাবমূর্তি আরও রাজ্যের মানুষের কাছে প্রকট হবে। কোনওভাবেই প্রশান্ত কিশোর সেই ভাবমূর্তি পুনরুদ্ধার করতে পারবেন না। আর ভোটব্যাঙ্কও বাড়বে না।”

হেরিটেজ তকমা দেওয়ার অছিলায় হিন্দু ভোটকে টার্গেট করা হচ্ছে, তা ইতিমধ্যে স্পষ্ট বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল। চৈতন্যদেবের জন্মভিটে, সমাধিকে সামনে রেখে এই তকমা দেওয়া হবে নবদ্বীপকে। কোচবিহারের ক্ষেত্রেও একই যুক্তি দেখানো হয়েছে। কেবলমাত্র হিন্দু ভোটব্যাঙ্কের কথা মাথায় রেখেই কোচবিহার ও নবদ্বীপ শহরকে হেরিটেজ হিসেবে বেছে নেওয়া হয়েছে তা মানতে নারাজ মেখলিগঞ্জের তৃণমূলের যুব বিধায়ক অর্ঘ্য রায় প্রধান। তাঁর কথায়, “নবদ্বীপের সঙ্গে আমাদের কোচবিহারের ঐতিহ্য অনেক দিনের। এখানকার রাজপ্রাসাদ রাস্তাঘাট সবকিছুই এখানকার রাজা মহারাজারা পরিকল্পনা  করেছিলেন। আর অনেকেই জানেন না ১৯১১ সালে মোহনবাগানের যে দল ব্রিটিশদের হারিয়েছিল। সেই দলের ছয় জন খেলোয়াড়ের পৃষ্ঠপোষক ছিলেন কোচবিহারের রাজা। এছাড়া কেশব চন্দ্র সেনের কন্যা সুনীতি দেবীর নাম কে না জানে। এমন সব ঐতিহ্যের কথা মাথায় রেখেই হেরিটেজ কমিশন আমাদের শহরকে বেছে নিয়েছে। যে হিন্দু ভোট ব্যাংকের কথা বলা হচ্ছে, তাতে এটুকু বলতে পারি ব্যালটে ভোট হলে ফলাফল অন্যরকম হত।”

Spread the love

Check Also

মনের মত যৌতুক পেলে বিয়ে করতে রাজি ছিলেন বাজপেয়ী

নিজস্ব প্রতিনিধি। বিয়ে করতে রাজি ছিলেন অটল বিহারী বাজপেয়ি। কথাটা শুনলে হয়ত চট করে হজম …

স্ত্রী গর্ভবতী থাকাকালীন ৫ বছরের শিশুকে ধর্ষণ, মৃত্যু দণ্ড দিল আদালত

নিজস্ব প্রতিনিধি। পাঁচ বছরের মেয়েটাকে যখন ফুটপাথ থেকে তুলে নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করে খুন করা …

নতুন ভারতে সাধারণ ব্যবসায়ীও ধীরুভাই হয়ে উঠতে পারবে : মুকেশ আম্বানি

নিজস্ব প্রতিনিধি : ভারতবর্ষ দ্রুত গতিতে সোনালী অর্থনীতির দিকে এগোচ্ছে। এই গতিতে অর্থনীতির বিকাশ হলে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *