Breaking News
Home / TRENDING / করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মনোবল বাড়াতেই আলো জ্বালানোর কর্মসূচির নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, মত দিলীপের

করোনার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে মনোবল বাড়াতেই আলো জ্বালানোর কর্মসূচির নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী, মত দিলীপের

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।‌

“সবাই মিলে আমরা একসঙ্গে যাতে লড়াই করতে পারি। ‌সেই কারণেই আলো জ্বালানোর কর্মসূচির ডাক দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi)।” এমনটাই বললেন রাজ্য বিজেপি (BJP) সভাপতি দিলীপ ঘোষ (Dilip Ghosh)। শুক্রবার সকালে এক ভিডিও বার্তায় সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে দেশের ১৩০ কোটি জনতার আগামী রবিবার রাত ৯টায় ৯ মিনিটের জন্য ঘরের বাতি নিভিয়ে বাড়ির দরজায় কিংবা ব্যালকনিতে দাঁড়িয়ে মোমবাতি, প্রদীপ, টর্চ, মোবাইলের আলো জ্বালাতে বলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।‌ তারপরই বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলো প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণার বিরুদ্ধে সমালোচনা শুরু করেন। পশ্চিমবঙ্গেও কংগ্রেস-সিপিএম নেতৃত্বও প্রধানমন্ত্রীর সমালোচনায় সরব হয়। দুপুরে সোশ্যাল মিডিয়ায় এক বার্তা প্রকাশ করে আক্রমণের জবাব দেন দিলীপ ঘোষ।‌

আগামী 5 এপ্রিল রাত্রি 9 টায়, আমরা সবাই বাড়ির সমস্ত light বন্ধ করে প্রদীপ হাতে বাড়ির বারান্দা বা দরজার বাইরে দাঁড়াই, আমরা দেখিয়ে দি – সারা ভারত এক হয়ে করোনার বিরুদ্ধে লড়াই করছে |#IndiaFightsCorona

Posted by Dilip Ghosh on Friday, April 3, 2020

তিনি বলেন, “প্রধানমন্ত্রী যখন জনতা কারফিউয়ের ঘোষণা করে সকলকে থালা, কাঁসর, ঘন্টা, শঙ্খ বাজাতে বলেছিলেন। তখনও অনেকেই কটাক্ষ করেছিলেন, বলেছিলেন এভাবে করোনা দূর করা যায় না। কিন্তু কোটি কোটি দেশবাসী প্রধানমন্ত্রী সেই ডাকে সাড়া দিয়েছিলেন। এবং যারা করোনা ভাইরাসের বিরুদ্ধে লড়াই করছেন তাদের সম্মান জানিয়েছিলেন শঙ্খনাদের মাধ্যমে।” মেদিনীপুরের সাংসদ আরও বলেন, “আমরা প্রায় ৯-১০ দিন ধরে ঘরে বন্দী হয়ে আছি। জানি এমন পরিস্থিতিতে সকলের কষ্ট হচ্ছে। বাচ্চাদের কষ্ট হচ্ছে, বয়স্কদের কষ্ট হচ্ছে, যারা বাইরে বেরিয়ে কাজকর্ম করেন তাদেরও কষ্ট হচ্ছে। কিন্তু মনে রাখতে হবে সামাজিক দূরত্ব রক্ষা করাই করোনার একমাত্র ওষুধ।”

দিলীপ ঘোষ বলেন, “লম্বা সময় আমাদের ঘরে থাকতে হবে। উৎসাহিত করার জন্য মাঝেমধ্যে প্রধানমন্ত্রী এমন সমস্ত কর্মসূচির ডাক দিয়ে আমাদের মনের শক্তি পরীক্ষা করছেন। আপনারা দেখেছেন খেলার মাঠের ক্যাপ্টেন অনেক সময় সহ খেলোয়ারদের পিঠ চাপড়ে সাবাস সাবাস বলে ‘কাম অন’ ‘কাম অন’ বলে উৎসাহ দেন। অর্থ একটাই যাতে আমরা সকলে একসঙ্গে মিলে এই পরিস্থিতির মোকাবিলা করতে পারি।” তিনি আরও বলেন, “আমার দৃঢ় বিশ্বাস দেশের মানুষ এবং পশ্চিমবঙ্গের মানুষ প্রধানমন্ত্রীর এই ডাকে সাড়া দেবেন। আসুন প্রধানমন্ত্রীর ডাকে ৫ এপ্রিল রাত ন’টার সময় বাড়ি ঘরের বাতি নিভিয়ে বারান্দায়, ব্যালকনি থেকে প্রদীপ মোমবাতি জ্বালিয়ে হাতে এসে আমরা করোনা বিরুদ্ধে এই লড়াইয়ে সামিল হই। আমার দৃঢ়বিশ্বাস প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই লড়াইয়ে আমরা জয়ী হবই।”

Spread the love

Check Also

১৫ দিনে তিনবার পুলিশে বিদ্রোহ কলকাতায় ! টুইটে রাজ্যকে ভৎসনা রাজ্যপালের

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো: রাজ্যে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে সামনের সারি …

লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি হল ৩০ জুন পর্যন্ত

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো। ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হল লকডাউনের মেয়াদ। শনিবার সন্ধ্যায় এক নির্দেশিকায় এমনটাই …

করোনা কি তা রাহুল ঠিক বোঝেন না : কটাক্ষ নাড্ডার কটাক্ষ নাডডার

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো। করোনা কি তা ঠিক রাহুল গাঁধী বোঝেন না। এভাবেই প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!