Breaking News
Home / TRENDING / হেল্পলাইন চালু করে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা বন্ধ করা যাবে না

হেল্পলাইন চালু করে মুখ্যমন্ত্রী জানালেন, অত্যাবশ্যকীয় পরিষেবা বন্ধ করা যাবে না

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

অত্যাবশ্যকীয় পণ্য আটকানো যাবে না। পুলিশ প্রশাসনকে কড়া বার্তা দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় (Mamata Banerjee)। বুধবার নবান্নে সাংবাদিক বৈঠক করে তিনি বলেন, “জরুরী পরিষেবা ও খাবারের হোম ডেলিভারি আটকানো যাবে না। এই পরিষেবার সঙ্গে যুক্ত যাঁরা তাঁদের জন্য বিশেষ পাসের ব্যবস্থা করা হচ্ছে। একটি পাস দেখেই সমস্ত থানা যাতায়াতের অনুমতি দেবে।” একইসঙ্গে পরিস্থিতির ওপর নজর রাখতে দুটি টাস্ক ফোর্স গঠন করেন মুখ্যমন্ত্রী। তৈরি করেছেন কন্ট্রোল রুমও। তিনি বলেছেন, “১০৭০ ও ০৩৩২২১৪-৩৫২৬ নম্বরে ফোন করে অভিযোগ জানানো যাবে। মিলবে বিভিন্ন সাহায্যও।” এমনকী ক্রেতা ও বিক্রেতারা কীভাবে দাঁড়াবেন তাও রীতিমতো গ্রাফিক চার্ট কর বুঝিয়ে দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী। 

মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “সরকারের তরফে দু মাসের সামাজিক পেনশন একলপ্তে দেওয়া হবে। আগেই আইসিডিএস, মিড ডে মিলের চাল, আলু একইসঙ্গে দিয়ে দেওয়া হয়েছে। এমনকী জলের সমস্যা বলে সরকারি প্রাণধারা প্রকল্পের জলও বাড়ি-বাড়ি পৌঁছে দেওয়া হবে।” তিনি আরও বলেন, “ভবঘুরেদের জন্য নাইট শেল্টারে থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। অত্যাবশকীয় পণ্য পৌঁছে দিতে বেশকিছু যানবাহন চলাচল করছে। এমনকী, কাজে বের হতে হয়েছে খাবার, ওষুধ-সহ একাধিক হোম ডেলিভারি সংস্থার কর্মীদের। তাদের সুরক্ষা দেবে সরকার।”

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, “হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার জন্য হাসপাতালের আশপাশের হোটেল, বিয়েবাড়ি ভাড়া নেবে সরকার। এমনকী হাসপাতালে কর্মরত বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের খাওয়ার দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিতেও হবে।” করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্য সরকার একের পর এক আর্খিক প্রকল্প ঘোষণা করছেন তিনি। এদিন তিনি জানান, হাসপাতালের স্বাস্থ্যকর্মীদের থাকার জন্য হাসপাতালের আশপাশের হোটেল, বিয়েবাড়ি ভাড়া নেবে সরকার। এমনকী হাসপাতালে কর্মরত বেসরকারি সংস্থার কর্মীদের খাওয়ার দায়িত্ব হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে নিতেও অনুরোধ করেন মুখ্যমন্ত্রী। প্রয়োজনে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষকে আর্থিক সাহা্য্য করবে রাজ্য সরকার।

করোনা সংক্রমণ রুখতে রাজ্য সরকার একের পর এক আর্খিক প্রকল্প ঘোষণা করছে। অথচ কেন্দ্রের তরফে রাজ্য সরকারকে কোনও আর্থিক সাহায্য করা হচ্ছে না বলে অভিযোগ করেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি স্টেট এমার্জেন্সি রিলিফ ফান্ড তৈরি করছে রাজ্য সরকার। সেখানে প্রবাসী ভারতীয়, শিল্পপতি-সহ আমজনতা আর্থিক সাহায্য করতে পারবেন। একটি অ্যাকাউন্ট নম্বরও দেন মুখ্যমন্ত্রী। অ্যাকউন্ট নম্বরটি , A/C 628005501339 এবং IFSC কোডটি হল ICIC0006280। কেউ চিকিৎসা সামগ্রী দিয়ে সাহায্য করতে চাইলে সঞ্জন বনশলের সঙ্গে যোগাযোগ করতে হলা হয়েছে। দেওয়া হয়েছে ফোন নম্বরও, 9051022000।

Spread the love

Check Also

তবলিঘ-ই-জামাতের সদস্যরা কোনও অভব্যতা করছেন না চিকিৎসকদের সঙ্গে : এইমস

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো। তবলিঘ-ই-জামাতের (Tablig-E-Jamat) সদস্যরা কোনও রকম অভব্যতা করেননি চিকিৎসকদের সঙ্গে। বরঞ্চ সহযোগিতাই করছেন …

করোনা-লকডাউন পরিস্থিতির মধ্যেই কোন্নগরে শক্তিশালী বোমার আতঙ্ক

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো। সাতসকালে কোন্নগরে বোমাতঙ্ক। সোমবার রাতে কোন্নগরের ধর্মডাঙ্গায় বোমার মতো কিছু পরে থাকতে …

দেশীয় শিল্পের বিকাশ ঘটানোর সঠিক সময় এটাই :মোদী

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো। সারা বিশ্বে করোনার অর্থনৈতিক প্রভাব যে মারাত্মক পড়তে চলেছে সেই বিষয়ে আগেই …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!