Breaking News
Home / TRENDING / আমফান ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকার পুর্নগঠনে মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে ৫০ লক্ষ দিলেন রাজ্যপাল

আমফান ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকার পুর্নগঠনে মুখ্যমন্ত্রীর তহবিলে ৫০ লক্ষ দিলেন রাজ্যপাল

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো।

আমফান ঘূর্ণিঝড়ে বিধ্বস্ত এলাকার মানুষের সাহায্যার্থে ৫০ লক্ষ টাকার আর্থিক সাহায্য দিলেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড় (Jagdeep Dhankhar)। শুক্রবার সকালে নিজের টুইটার হ্যান্ডেলে রাজ্যপাল লিখেছেন, “আমফান ত্রাণের জন্য ৫০ লক্ষ অনুদান দিলাম মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) তহবিলে। যা দুর্গত এলাকা পুনর্নির্মাণ এবং মানব দুর্দশা প্রশমনের কাজে লাগবে। উদারভাবে অবদান রাখার জন্য সকলকে সাহায্যের জন্য অনুরোধ করছি। আজ বিমানে দুর্গত এলাকার সমীক্ষায় মুখ্যমন্ত্রী ও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হব।” প্রসঙ্গত, আমফান ঘূর্ণিঝড়ে পশ্চিমবঙ্গ বিধস্ত হওয়ার পর এই প্রথম কোনও আর্থিক সহায়তা পেল পশ্চিমবঙ্গ সরকার।

প্রসঙ্গত, মুখ্যমন্ত্রীর ত্রাণ তহবিলে ব্যক্তিগতভাবে অর্থ দেওয়ার পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী ও মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে একই বিমানে দুর্গত এলাকা পরিদর্শনে যাওয়া যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ ঘটনা বলেই মনে করছে রাজনৈতিক মহল। গত আগস্ট মাসে পশ্চিমবঙ্গের রাজ্যপাল হয়ে আসার পর থেকে প্রায়ই অভিযোগ করেছেন, রাজ্যের কোনও কাজে তাঁকে সহযোগিতা করে না পশ্চিমবঙ্গ সরকার। এমনকি কোনও দুরহ বা কঠিন ঘটনা ঘটলেও তাঁকে জানানোর প্রয়োজনটুকুও বোধ করে না নবান্ন। যা নিয়ে রাজভবন – নবান্নের ঠোকাঠুকি সর্বজনবিদিত।

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণের পরিস্থিতিতে দেশজুড়ে লকডাউন পরিস্থিতি। পশ্চিমবঙ্গের লকডাউনে সাধারণ রাজ্য মানুষ সরকারের মুখাপেক্ষী। এমন করুণ পরিস্থিতিতে রাজ্যের বেহাল স্বাস্থ্যপরিষেবা বা রেশন বন্টন প্রক্রিয়ায় দুর্নীতির মতো বিষয়গুলি নিয়ে বারবার টুইটারে সরব হয়েছেন রাজ্যপাল জগদীপ ধনখড়। যা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী ও রাজ্যপালের পত্রযুদ্ধে স্থান পেয়েছিল জাতীয় সংবাদ মাধ্যমে। কিন্তু আমফান ঘূর্ণিঝড়ের (Amphan Cyclone Strom) পরিপ্রেক্ষিতে প্রধানমন্ত্রী রাজ্য পরিদর্শনে আসা এবং রাজ্যপালকে সঙ্গী করা যথেষ্ট ইঙ্গিতপূর্ণ বার্তা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে।

কারণ রাজ্যপালকে প্রকাশ্যেই ‘বিজেপির লোক’ বলে একাধিকবার আক্রমণ শানিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সঙ্গে রাজ্যপাল কোনও নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি নন, সংবিধানিক ভাবে একটি আলংকারিক পদ মাত্র। মুখ্যমন্ত্রী সহ তাঁর দল তৃণমূল কংগ্রেস বারবার নানা অছিলায় রাজ্যপালকে সরাসরি আক্রমণ করায়, জবাব দিয়েছেন রাজ্যপালও। কিন্তু প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী (Narendra Modi) এভাবে তাঁকেই নিজের সফরসঙ্গী করায়,‌ পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল কিছুটা হলেও দ্বিধাগ্রস্থ।

Spread the love

Check Also

১৫ দিনে তিনবার পুলিশে বিদ্রোহ কলকাতায় ! টুইটে রাজ্যকে ভৎসনা রাজ্যপালের

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো: রাজ্যে ক্রমেই বেড়ে চলেছে করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা। এই পরিস্থিতিতে সামনের সারি …

লকডাউনের মেয়াদ বৃদ্ধি হল ৩০ জুন পর্যন্ত

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো। ৩০ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হল লকডাউনের মেয়াদ। শনিবার সন্ধ্যায় এক নির্দেশিকায় এমনটাই …

করোনা কি তা রাহুল ঠিক বোঝেন না : কটাক্ষ নাড্ডার কটাক্ষ নাডডার

চ্যানেল হিন্দুস্তান ব্যুরো। করোনা কি তা ঠিক রাহুল গাঁধী বোঝেন না। এভাবেই প্রাক্তন কংগ্রেস সভাপতিকে …

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

error: Content is protected !!